place বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা এহসান সাহেদ শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ব্যাপারে পিতা-মাতাদের সর্তক হওয়া উচিত : হুছামুদ্দীন চৌধুরী কুলাউড়ায় পিতৃহারা কন্যার বিয়েতে রাশিদ আলী ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা ৫ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে বৈধ করবে স্পেন মোঃ ইবাদুর রহমান জাকির স্পেন থেকে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন হোসেন সাহেদের উপর হামলায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত ইসলামের প্রকৃত আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব তালামীযে ইসলামিয়ার কর্মীদের দৃঢ়তার সাথে পালন করতে হবে —-মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মুজাহিদ পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আহমেদ সোহেল সিদ্দিকী আজ নওশাদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার মধ্য দিয়ে সকল সমালোচনা, বিতর্ক ও বিভ্রান্তির অবসান করতে হবে। —-মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান প্রতিবন্ধীদের সরকার সর্বাধিক সুযোগ সুবিধা দিবে: মন্ত্রী আরিফুল হক ফেঞ্চুগঞ্জের সাইয়েদুল খালেদ যুক্তরাজ্যে থেকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আলোর মুখ সিলেটে মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল ফেঞ্চুগঞ্জে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ব্যাবসায়ীর মৃত্যু

একজন মানবতার ফেরিওয়ালা আব্দুল শহীদ কাজল

মুক্তমন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১
  • ১২৪৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

একজন মানবতার ফেরিওয়ালা আব্দুল শহীদ কাজল

যাকে নিয়ে আমাদের ছোট একটি সুন্দর লেখনি এবং তার অভিমত আমরা প্রচার করলাম-

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
আমি আব্দুল শহীদ কাজল আমার বাবার নাম মরহুম ইসলাম আলী মাতার নাম মৃত জাহানারা বেগম আমার জন্ম হয়েছিল মাইজগাঁও পাঠান টিলায়, ১৯৬৭ইং সালে বর্তমান নিজ ছত্রিশ, এটা ছিল আমার নানা মরহুম মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমানের বাড়িতে, ১৯৭৪ইং সালে আমার নানার সাথে আমি ঢাকায় আসি তখন আমার বাবা ঢাকার মতিঝিল কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে চাকরি করতেন, নানা আসছিলেন রাজনগর উপজেলা উত্তরভাগ ইউনিয়ন পানপুঞ্জি জাদুরগুল কিছু খাস সরকারি জায়গা ছিলো সেই জায়গার জন্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করার জন্য, আমার বাবা তখন বঙ্গবন্ধুর পিএ আ ফ ম মহিতুল ইসলাম এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করিয়ে দেন, নানা এবং বাবা সাথে আমাকে নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে জান এবং দেখা করেন, তখন আমার নানা সেই জায়গার কথা বলেন যে মুক্তিযুদ্ধ করেছি আপনার হুকুমে এখন আমার কোন সার্টিফিকেট লাগবে না, আমি যদি ওই জায়গাটা পাই তাহলে আমার ছেলে মেয়ে পরিবারবর্গ নিয়ে ওই জায়গাটা দিলে আমি চাষবাদ করে আমার বাকি জীবনটা চলে যাবে, তখন আমি দেখলাম বঙ্গবন্ধু উনার কোটের পকেট থেকে একটি কলম ও কাগজ বের করে কি লিখে দিলেন এবং বললেন কেউ যদি কখনো কিছু বলে তখন এইটা দেখাবা। আমি বাবার খুলেছিলাম তখন আমার বয়স প্রায় ৭/৮ বছর বঙ্গবন্ধু জিজ্ঞেস করলেন এই ছেলেটিকে আমার বাবা বললেন আমার ছেলে ওকে স্কুলে দেও নাই? বাবা বললেন যে এখনোও স্কুলে দিতে পারি নাই অভাবের ভিতর আছি, তখন বঙ্গবন্ধু পকেট থেকে বের করে কিছু টাকা দিলেন বললেন ওকে স্কুলে দিবা বাবা বললেন ঠিক আছে স্যার, আমার বাবার আবদার ছিল উনি ঢাকা থেকে সিলেট চলে যাবেন সেই কথাটা বললেন দুই মাস পরে আমার বাবা সিলেট শেখ ঘাটে বদলি হয়ে চলে যান পরে ওখানে সরকারি কোয়াটার পান আমাদের ফ্যামিলির সবাইকে নিয়ে ওই জায়গায় বসবাস করি সেটা ছিল জুলাই মাস স্কুলে তখন ভর্তি করার সময় নাই ৭৫ইং সালে জানুয়ারির দিকে আমাদেরকে আমাদের গ্রামের বাড়ি ৩ নং ঘিলাছড়া ইউনিয়ন বাদেদেউলী গ্রামে নিয়ে চলে আসেন এবং ৭৮ইং সালে আমাকে ঘিলাছড়া মডেল প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি করলেন তখন দেখা যায় বয়সটা অনেক হয়ে গেছে ভর্তির সময় বয়সটা কমিয়ে ৭৩ইং সালে দেখানো হলো লেখাপড়া শুরু হল যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন থেকে আমার চাচা মহিউদ্দিন বাদল উনি ছাত্রলীগ করতেন উনার সাথে বিভিন্ন মিটিং মিছিলে যেতাম তখন থেকেই আমার রাজনীতি শুরু হয় ৮৯ সালে বাবা মারা যান ৯০ইং সালে আমি ঢাকায় চলে আসি, চাকরির খোঁজে অনেক ঘুরাঘুরির পর একটি গার্মেন্টসে চাকুরী নেই পাশাপাশি লেখাপড়া চালিয়ে যাই, এবং মাঝেমধ্যে রাজনীতির সাথেও সংযুক্ত থাকি এভাবেই ছিয়ানব্বই সালের মার্চ মাস পর্যন্ত চলে তখন রাজনীতি করার কারণে আমার চাকরি চলে যায়। ছিয়ানব্বই সালের জুন মাসে যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তখন মালিবাগ চৌধুরী পাড়া এলাকায় একটি প্রেসে চাকুরী নেই, তখন একজন ঢাকা মহানগর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আলমগীর চৌধুরী সাহেবের সাথে পরিচয় হয় উনার সাথে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ যাতায়াত করতাম এভাবে ২০০১ সাল পর্যন্ত চলে তখন ওই জাগায় আইয়ুব চৌধুরী ও তসলিম আহমেদ উনাদের সাথে পরিচয় হয়, ওখানে তাদের সাথেই বিভিন্ন সময় মিছিল-মিটিংয়ে যোগদান করতাম এভাবেই দীর্ঘদিন চলে যায় বিভিন্ন কমিটিতে ঢুকার জন্য চেষ্টা করি কিন্তু কেউ কমিটি তে নাম দেয় না পরে শহীদ নূর হোসেন স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা যুব প্রজন্ম লীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য পরে সাধারন সম্পাদক, পরে সভাপতি হই ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত চলে তারপর এই সংগঠনটা ভুঁইফোড় সংগঠন হিসেবে গণ্য হয়, এবং আপাতত বন্ধ হয়ে যায় এখন হাল ছাড়ি নাই চেষ্টা করছি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে কোন একটা কমিটিতে ঢুকবো এইযে বিগত রাজনীতি কালে মাননীয় জনোনেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্নভাবে কাজ করেছি এমনকি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে একজন গৃহহীন কে একটি ঘর উপহার দেই নিজস্ব অর্থায়নে ঘরটি বর্তমানে উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281