আনজুমানে আল ইসলাহ ইউকের জয়েন্ট সেক্রেটারি ও মিডল্যান্ডস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট প্রিন্সিপাল মাওলানা এম এ কাদির আল হাসান বলেছেন, বর্তমান সময়ে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো ঐক্য, সহনশীলতা ও দ্বীনি সচেতনতা বৃদ্ধি করা। অপ্রয়োজনীয় মতবিরোধকে কেন্দ্র করে বিভাজন সৃষ্টি করা কখনো কল্যাণকর নয়। তাই আমাদেরকে ধৈর্য, প্রজ্ঞা, সহাবস্থান ও সুন্দর আচরণের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম আনজাম দিতে হবে।
তিনি বলেন, দ্বীনের দাওয়াত কখনো কঠোরতা বা বিদ্বেষের মাধ্যমে নয়; বরং হিকমত, উত্তম চরিত্র ও সুন্দর কথামালার মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে। মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মানের সীমার মধ্যে থাকে, সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকা আবশ্যক। অযথা বিতর্ক, সমালোচনা ও বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে দ্বীনের খেদমতে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য তিনি আনজুমানে আল ইসলাহর কর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
তিনি আরো বলেন, আমাদেরকে রাসুলে পাক ( সা.) এর আদর্শ বুকে ধারণ করে সমাজে ইসলামের সঠিক আক্বীদা, নৈতিকতা, মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি দ্বীনি ও আদর্শিক সমাজ গঠনে সুসংগঠিত কার্যক্রমের বিকল্প নেই। সংগঠনের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও ইসলামী সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবানও জানান তিনি।
গতকাল ১৭ মে সোমবার বাদ যোহর আনজুমানে আল ইসলাহ মিডল্যান্ডস ডিভিশনের আওতাধীন ওয়ালসল ব্রাঞ্চের কাউন্সিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
আনজুমানে আল ইসলাহ ওয়ালসল ব্রাঞ্চের প্রেসিডেন্ট মাওলানা নুমান আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ক্বারি আবুল খায়েরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আনজুমানে আল ইসলাহ মিডল্যান্ডস ডিভিশনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ হুসাম উদ্দিন আল হুমায়দী ও বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আখতার হোসাইন জাহেদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালসল জালালিয়া মাসজিদের সাবেক প্রেসিডেন্ট হাজী গয়াস মিয়া, আঞ্জুমানে আল ইসলাহ ইউকে বার্মিংহাম শাখার ট্রেজারার হাজী সাহাব উদ্দিন , মোহাম্মদ জায়েদুল ইসলাম, হাজী এখলাসুর রহমান, হাজী সন্জর আলী,ময়নুল ইসলাম, রাসেল আহমদ প্রমুখ।



