জানা গেছে, বুধবার মধ্যরাতে স্থানীয়রা লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত একরামুল কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
নিহতের মামা ও ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী এবং তার পরিবারের দাবি, একরাম অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করায় এলাকার অনেক ডাকাত ও জলদস্যু তার ওপরে ক্ষিপ্ত। এ ছাড়াও জেল থেকে বের হয়ে কবির নামের এক ডাকাতকে ধরতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছিল একরাম। এ কারণে কবির ডাকাতের নেতৃত্ব একদল সন্ত্রাসী তাকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে ৯৬ জন জলদস্যু অস্ত্রসহ সমর্পণ করেন। একরাম তাদেরই একজন। গত তিন মাস আগে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ছনের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন একরাম।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত কবির প্রকাশ ডাকাত কবিরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই বলেন ,স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে মাতারবাড়ীর কোহেলিয়া নদী থেকে একরাম নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চোখ দুটি উপড়ে ফেলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জালালাবাদ /৪৬৮৯



