জনতার ভালোবাসা আর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে এলাকায় ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন ফজলুল হক খান সাহেদ। সাবেক দুইবারের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই জননেতা সাধারণ মানুষের সুখ–দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন “জনতার নেতা” হিসেবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজলুল হক খান সাহেদ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সততা, ভদ্রতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে তিনি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক সহনশীলতা ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন।

দুইবার ভাইস চেয়ারম্যান এবং একবার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়ান। বিশেষ করে দরিদ্র, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য তাঁর ভূমিকা এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত।
এলাকাবাসী বলছেন, সাহেদ ভাইয়ের জনপ্রিয়তা কোনো অর্থবিত্ত বা প্রচারের ফল নয়—এটি মানুষের ভালোবাসা ও দীর্ঘদিনের সেবার প্রতিফলন। তিনি কখনো বিদ্বেষের রাজনীতি করেননি; বরং সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“সাহেদ ভাই সবসময় মানুষের কথা শোনেন। তিনি ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন, আমরা তাকে পাশে পাই।”
অন্য একজন বলেন,
“এই এলাকায় যিনি সত্যিকারের জনতার নেতা, তিনি ফজলুল হক সাহেদ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে সাহেদ ভাই এখনো এলাকাবাসীর কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ও আস্থাভাজন নেতা হিসেবে বিবেচিত। আগামীতেও তিনি জনকল্যাণমূলক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল হক খান সাহেদ কে নিয়ে রাফসান মোহাম্মদ রাহিনের লেখনী।
বিজ্ঞপ্তি



