রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আযহা। এদিন মুসলিম রীতি ও ধর্মীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বৃত্তবান ব্যক্তিরা গরু- খাশি কুরবানী করেন। কুরবানির বজ্র যাতে যত্রতত্র না ফেলে নদী কিংবা খালে ফেলা যাবে না। নিজ নিজ দায়িত্বে দূরে কোথাও মাটির নীচে পুতে ফেলার আহবান জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ফুর রহমান শাহীন।
তিনি জালালাবাদ ভিউ টুয়েন্টি ফোর কে জানান- আমরা মাইকিং করিয়েছি। পরিবেশ রক্ষায় আশাকরি সবাই নিজে নিজে দায়িত্ব পালন করবেন। এবং বিশেষ করে বাজারের পাশে কুশিয়ারা নদীতে কোন অবস্থায় বজ্র ফেলা যাবে না। এজন্য আমরা সবাই মিলে সহযোগিতা করলে পরিবেশ রক্ষা পাবে।



