আসন্ন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিত হবে। ইতমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী বলা যায় – ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশফাকুল ইসলাম ছাব্বির।
তিনি গতকাল ২৯ এপ্রিল সোমবার বিকালে ফেঞ্চুগঞ্জের আনন্দমেলা পার্টি সেন্টারে ফেঞ্চুগঞ্জে কর্মরত প্রিন্ট – ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে মত বিনিময় সভায় উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে নিজেকে একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।
আশফাকুল ইসলাম ছাব্বির তার বক্তব্যে বলেন- আমি শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ নিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জের মাটি – ও মানুষের পরম বন্ধু হয়ে থাকতে চাই। আমি একটি ডিজিটাল – অত্যাধুনিক – স্মার্ট এবং নান্দনিক উপজেলা উপহার দিতে চাই। আগামী ২৯ মে জনগণের রায়ে যদি বিজয়ী হই তবে আমার প্রতিশ্রুতি পুরণ করব। একটি মাদক – সন্ত্রাস মুক্ত ফেঞ্চুগঞ্জ গঠনের লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই।
সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন – আমি যদিও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি কিন্তু আমি নির্বাচনে এসেছি জনগণের সেবক হতে। কারণ আওয়ামী লীগ মানেই জনগণের সেবক। সাংবাদিক মুহাম্মদ জুয়েল এর প্রশ্নের জবাবে বলেন – ফেঞ্চুগঞ্জে প্রায় ১৫/১৬ টি গ্রাম অত্যন্ত অবহেলিত। আমি বিজয়ী হলে এই সমস্যা দূর হবে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন – যেহেতু জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতীক ছাড়া নিজেদের জনপ্রিয়তা যাছাই করে আসতে বলেছেন সেই কারণে নির্বাচনে রাজনৈতিক কোন প্রভাব পড়বে না বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মধ্যে কোন দলীয় কোন্দল নেই। সবাই মিলে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সেজন্য জনগণের চাপ থাকলেও নির্বাচনে আসতে হয়েছে। জনগণ চেয়েছে বলে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন – ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মামুন আহমেদ নেওয়াজ, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক উবায়েদুল্লাহ মাহমুদ জুয়েল, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মাহবুব উল ইসলাম চৌধুরী মিসলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী, সেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মী, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহিম আহমদ শাহ, উপজেলা তাতী লীগের যুগ্ন আহবায়ক জাবেদুর রহমান ডেনেছ, ছাত্রলীগের আহবায়ক রেজান আহমেদ শাহ, যুগ্ন- আহবায়ক- নাইমুর রহমান নাইম, কাবিলুর রহমান সোহেল, দেওয়ান ফাহিম, উপজেলা ট্রাক পিক আপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ, ফেঞ্চুগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিটের আহবায়ক আবুল ফয়েজ খান কামাল, যুগ্ন – আহবায়ক মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল, এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিনিধি সাংবাদিক দুলাল মিয়া, জাতীয় দৈনিক যায়যায়দিন এর প্রতিনিধি এমরান আহমদ, জালালাবাদ ভিউ টুয়েন্টি ফোর এর ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি এইচ এম শাহরিয়ার, প্রমুখ।
উল্লেখ্য – আগামী ২ মে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। যাছাই- বাছাই ৫ মে – প্রার্থীতা প্রত্যাহার ১২ মে এবং প্রতীক বরাদ্দ ১৩ মে। ভোটগ্রহণ হবে ২৯ মে।



