place বাংলাদেশ সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
Licencja i status prawny Vox Casino: Co gracze powinni wiedzieć? Pinco futbol mərclərində əsas seçimlər: bazarda yeni trendlər nələrdir? Najlepsze strategie dla zasad uzyskania bonusu bez depozytu w Mostbet Pinco futbol mərclərində əsas seçimlər: bazarda yeni trendlər nələrdir? Magius Beasts: Pochopení jejich biotopů a vlastností বিশ্ব মানবতার শ্রেষ্ঠতম শিক্ষক হজরত মুহাম্মদ (সা.) হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী তরুণ প্রজন্মকে জাগতিকতার পাশাপাশি ইসলামের বুনিয়াদি শিক্ষার প্রতি যত্নবান হতে হবে সিলেটের কন্ঠ ও যন্ত্রশিল্পীদের সংঘটিত করার লক্ষ্যে সিলেট মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা রিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা ও শ্রমিক কার্ড বিতরণ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী সা.উদযাপন উপলক্ষে আনজুমানে আল ইসলাহ ফ্রান্স, প্যারিস মহানগর শাখার পরামর্শ সভা ৫নং বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন শাখার দায়িত্বশীল প্রশিক্ষণ ও অভিষেক অনুষ্ঠিত জকিগঞ্জ ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসা প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের কমিটি গঠন তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগরীর ১৫ নং ওয়ার্ড শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত ফুলসাইন্দ আঞ্চলিক শাখা তালামীযের উদ্যোগে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত আল্লাহর দয়া ছাড়া হক্বের পক্ষে থাকা অসম্ভব —ক্বারী মির্জা শফিকুল ইসলাম

ফেইসবুকে পোস্ট : অতঃপর আত্মহত্যা

নিজেস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৫৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ফাইরুজ অবন্তিকা। শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে দায়ী করে প্রথমে ফেসবুকে পোস্ট দেন ফাইরুজ। এরপর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তাকে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন।

এদিকে ফেসবুক পোস্টে অবন্তিকা আইন বিভাগের আম্মান সিদ্দিক নামে তার সহপাঠী ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম দায়ী থাকবেন বলে উল্লেখ করে যান।  এর সঙ্গে আইন বিভাগের আম্মান সিদ্দিক নামে তার সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেন।

ফেসবুক পোস্টে  অবন্তিকা লিখেছেন, ‘আমি যদি কখনো সুইসাইড করে মারা যাই, তবে আমার মৃত্যুর জন্য একমাত্র দায়ী থাকবে  জগন্নাথের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও তার সহপাঠী আম্মান সিদ্দিক। দ্বীন ইসলাম আমাকে নানান ভাবে ভয় দেখায়। আমাকে বহিষ্কার করা ওনার জন্য হাতের ময়লার মতো ব্যাপার। আমি জানি এখানে কোনো জাস্টিস পাব না।’

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘আমি উপাচার্য সাদেকা হালিম ম্যামের কাছে আপনি এই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে বিচার চাইলাম। আর আমি ফাঁসি দিয়ে মরতেসি। আমার ওপর দিয়ে কী গেলে আমার মতো নিজেকে এতো ভালোবাসে যে মানুষ সে মানুষ এমন কাজ করতে পারে।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আম্মান সিদ্দিকীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।

তবে পোস্টে নাম উল্লেখ করা সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম বলেন, মেয়েটাকে দেখি ১ থেকে দেড় বছর আগে। তারা কয়েকজন সহপাঠী প্রক্টর অফিসে আসে। সে সময় তৎকালীন প্রক্টর মোস্তফা কামাল স্যার, আমিসহ আরও কয়েকজন সহকারী প্রক্টর অফিসে ছিলাম। মেয়েটা ফেক আইডি ব্যবহার করে তার বন্ধুদের এসএমএস দিত। এটা নিয়ে থানায় জিডি হয়েছে বলে আমাদেরকে জানানো হয়। পরে মেয়েটা স্বীকার করে। এরপর তার পরিবারের লোকজন অনুরোধ করে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য। তখন সব প্রক্টরিয়াল টিম মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেয়, তিন মাস পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। কোনো ঝামেলা না হলে জিডি তুলে নেওয়া হবে। আমি কখনো মেয়েটার সঙ্গে একা কথা বলিনি। সিসিটিভি ফুটেজ বা প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দেখলেও বুঝা যাবে। আপনারা ঘটনা তদন্ত করে দেখুন। আমি দোষী হলে শাস্তি দিন। কিন্তু আগেই আমাকে দোষী বানাবেন না দয়া করে। না হলে আমারও সুইসাইড করা লাগবে।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর  অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। ছাত্রী তার মৃত্যুর জন্য দায়ী হিসেবে আমাদের প্রক্টরিয়াল টিমের একজন সদস্যদের নাম উল্লেখ করেছে। মাননীয় উপাচার্য সাময়িকভাবে তাকে অব্যহতি প্রদানের মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়ায় তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281