বাংলাদেশ এথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সিলেট ৩ আসন (দক্ষিণ সুরমা- ফেঞ্চুগঞ্জ – বালাগঞ্জ) এ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক প্রত্যাশী এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু বলেছেন – জনগণের সেবক আমি। আমি জনগণের সেবায় জীবন কাটাতে চাই। জীবনের অনেক চাওয়া পাওয়ার হিসেব ঘষেছি কিন্তু মনে হয় যা পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। এখন একমাত্র লক্ষ্য মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা। আর এর জন্য অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বেচে নিয়েছি আমার কৈশোর – শৈশব এর স্পন্দন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করা। যদি আমার নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দেন এবং বিজয়ী হই তবে বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট আসন হিসেবে সিলেট ৩ আসনকে গড়ে তুলব।
তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন – আমি আব্দুর রকিব মন্টু উড়ে এসে জুড়ে বসিনি। আমার পরিবার আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবার। আমার বড় ভাই এই ফেঞ্চুগঞ্জ তথা সিলেটে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে অনেক কাজ করে গেছেন। পাশাপাশি আমার বাবাও একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি পেছনের দরজা দিয়ে পালাতে মাঠে নামিনি, মাঠে নেমেছি যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কুলশিত করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কে বিনষ্ট একটি সংগঠন হিসেবে তুলে ধরতে পায়তারা করছে তাদের সাথে লড়াই করতে। বর্তমান সময়ের সুবিধাবাদী কিছু নেতা- কিছু বল প্রয়োগ করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যারা এদেশ থেকে নিজেদের স্বার্থের জন্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে দ্বিধাবোধ করবে না এরকম কিছু মানুষ কে সঠিক জবাব দিতে হবে। আমি মানুষের কাছে আমার জন্য ভোট ভিক্ষা চাইছি না। আমি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরছি। বর্তমান সরকারের গুরুত্ব কতটুকু তা তৃণমূলের কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছি। কিন্তু তবুও কিন্তু কুচক্রী মহল থামছে না। বঙ্গবন্ধু ছবি সম্বলিত আমার লাগানো প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন চিত্রের পোষ্টার ও তাদের কাছ থেকে রেহাই পায়নি।
তিনি আজ ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরতে গণসংযোগ করেন।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার অন্যতম ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফেঞ্চুগঞ্জ মোহাম্মদিয়া হিফজুল কুরআন মাদরাসায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি তিনি মাদরাসার কমিটির বিভিন্ন সদস্য ও প্রধান শিক্ষকদের সাথে মত বিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হাফিজ আবু সাঈদ মো. সেলিম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকবাল খান, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির অর্থ সম্পাদক শাহিন আহমেদ খান সহ মাদরাসার শিক্ষকবৃন্দ।
আসরের নামাজ পরবর্তী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সাথে কৌশল বিনিময় করেন।
পরবর্তীতে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, সহ-সভাপতি শাহ মো. বদরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এ বি এম কিবরিয়া ময়নুল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও ফেঞ্চুগঞ্জ যুব সংঘের সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা, ডাক্তার জাকির হোসেন, মাষ্টার আব্দুর রশিদ (ফিজিক্যাল স্যার) সহ হযরত শাহ মালুম র. এর মাজার জিয়ারত শেষে মাইজগাঁও বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের নিকট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।



