সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের পিপিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজিমা বেগম কে গণমাধ্যমে প্রকাশিত নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ঘোষ লেনদেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ ৮ ই অক্টোবর রবিবার দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ মো. সুলেমান হোসেন সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জানান- আমি ইতিপূর্বে সংবাদের ঘটনাটি জেনেছি এবং ইতিপূর্বে শিক্ষিকার প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি নিজেই ফেঞ্চুগঞ্জ থানার একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
প্রধান শিক্ষক জানান, আমি বিষয়টি গণমাধ্যমে দেখার পর বিদ্যালয় কতৃপক্ষকে জানাই এবং এ বিষয়ে আমাদের একটি বোর্ড সভা সোমবার বসবে এবং বিষয় সংক্রান্ত আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন – যদি কোন মহল বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার উদ্দ্যেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোয়া তথ্য ছড়ান তাহলে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ অবশ্যই কঠোরভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
তিনি বলেন – শিক্ষিকার প্রসঙ্গে যে ঘোষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে তা আমি কিংবা আমার ম্যানেজিং কমিটির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয়। যদি কোন ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করেন তাহলে অবশ্যই বিদ্যালয়ের কমিটি তা খতিয়ে দেখবে। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ভোয়া ভিত্তিহীন তথ্যের যদি কোন প্রমাণ পাওয়া যায় তবে আইনানুগ ব্যবস্থা বিদ্যালয় কতৃপক্ষ যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করবে।
গতকাল প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন- নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় সম্পুর্ন শিক্ষা অফিসার সহ বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ – ডিজির প্রতিনিধি সহ বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ থাকতে হয়। সেক্ষেত্রে কিভাবে একজন সহকারী শিক্ষিকার জড়িত হওয়ার অভিযোগ উঠে তা আদোও আমার জানার মধ্যে নেই।
তিনি জানান, এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বৈঠকের মাধ্যমে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।



