place বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুরি হওয়া মুবাইল ফোন মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিলেন সমাজকর্মী শরীফ আহমদ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল কুলাউড়া’র ভাটেরা ইউপি নির্বাচন: মানবিক কার্যক্রম ও জনসেবায় ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে কামাল চৌধুরী গোলাপগঞ্জে  ছিনতাইয়ের অভিযোগ কুলাউড়ায় মহান স্বাধীনতা দিবসে ‘টিম জার্নালিস্ট’-এর শ্রদ্ধাঞ্জলি কুরআন ও মক্কা মদিনার অবমাননা কারীর শাস্তির দাবিতে ভাটেরায় বিক্ষোভ মিছিল গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা দিনারের বোনকে সংরক্ষিত আসনে দেখতে চায় সিলেটবাসী ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ কল্যাণ সমিতি কাতারের সভাপতি এনাম আবারও ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম মুজাহিদ প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিরাজুল ইসলাম শাহীন মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজিমুল ইসলাম এর ঈদের শুভেচ্ছা মাওলানা হারুনুর রশীদের পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মারুফ আলম তালুকদার মিজু হাকালুকি হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে জল! আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ইন্তেকাল আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের কল্যাণে হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুলাউড়ায় ফরিদা রহমান ট্রাস্ট ও আলহেরা ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনজুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট কমিটির কাউন্সিল ও শপথ গ্রহণ 

ফেঞ্চুগঞ্জে সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে শ্রমিক আন্দোলন

মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

▪️ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বন্ধ 

▪️ফিটনেস ও লাইসেন্স বিহীন চালক

▪️প্রশাসনের কাজে শ্রমিকদের ব্যবহার 

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ১৩ টি মোটরযান চালিত মালিক ও শ্রমিক উভয় সমন্বয়ে শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়েছে। যেখানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ট্রাক পিক আপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের ৩ বারের নির্বাচিত সভাপতি রাসেল আহমেদ টিটু।

গত বুধবার ২৭ আগস্ট ফেঞ্চুগঞ্জ সাবেক বনছায়া কমিউনিটি সেন্টারে এই ১৩ টি শ্রমিক সংগঠনের ডাকে এক মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু দাবি তুলে ধরা হয় এবং তা নিরসনের জন্য খোলা বক্তব্য রাখেন জেলা নেতৃবৃন্দরা। সেখানে বারবার উঠে আসা বিষয় সমুহের মধ্যে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বন্ধ, ১৮ বছরের নীচে কোন চালক না থাকা এবং ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় প্রতিদিন যে সকল সিএনজি রাতের ডিউটিতে যায় তাদের জন্য মানবিক দৃষ্টিতে খাদ্য সহায়তা ও গ্যাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব। কিন্তু তিনি অসুস্থ উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি।

ব্যানারে উল্লেখযোগ্য ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ অতিথি হিসেবে থাকলেও তাদের মধ্যে কেউই আসেননি। আরও আসেননি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

তাদের ৩ টি দাবির প্রেক্ষিতে ঘোষণা হয় সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে প্রথমে ফেঞ্চুগঞ্জ পরবর্তীতে সিলেট জেলা এবং সর্বশেষ সিলেট বিভাগ জুড়ে আন্দলোনের ঘোষণা আসে।

ফেঞ্চুগঞ্জে এ পর্যন্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা রয়েছে দুই হাজারের ও বেশি। যা সিএনজি থেকেও বেশি। অথচ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা প্রসঙ্গে হাইকোর্টের একটি রোল এখনো ঝুলন্ত অবস্থায়।

এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম জানান, সবাই পেটের দায়ে শ্রম দিচ্ছি। আপাতত রিক্সাগুলো এলজিইডি রোডে চলুক তবে সেগুলো যেন ফিটনেস এবং গাড়ি চালকের অবস্থান সঠিক থাকে। ছোট ছোট প্রয়োজনে রিক্সার প্রয়োজন আছে। এ বিষয়ে তিনি শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাথে যোগাযোগ করবেন বলে জানান।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি রাসেল আহমেদ টিটু বলেন, রিকশা চলুক আমাদের কোন আপত্তি নাই। কিন্তু বহিরাগত রিকশা চলতে দেওয়া হবে না৷ ফেঞ্চুগঞ্জের কোন ব্যক্তি যদি রিকশা কিনেন এবং চালান আমাদের আপত্তি নেই৷ কিন্তু ওলিতে গতিতে ব্যাংগের ছাতার মত যেভাবে ব্যাটারিচালিত যানবাহন প্রভাব বিস্তার করছে এতে আমাদের ৫ হাজার সাধারণ শ্রমিক হুমকিতে রয়েছে। এ বিষয়ে কেউ কোন হস্থক্ষেপ করছে না।

ব্যাটারি চালিত রিকশার এক বৈঠকের সিদ্ধান্ত থেকে জানা যায়, তারা প্রশ্ন তুলেছেন ফেঞ্চুগঞ্জে কিভাবে মৌলভীবাজারের সিএনজি চলে। এ বিষয়ে টিটু’ মানবিক দৃষ্টিতে বলেছেন যেহেতু আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকা মৌলভীবাজার সেজন্য তাদের গাড়ি হঠাৎ যাত্রী নিয়ে আসতেই পারে। কিন্তু তারা কেউ ফেঞ্চুগঞ্জের নয়। সবাই মৌলভীবাজার এলাকার।

এ প্রসঙ্গে সিলেট জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিটির (ট্রাফিক) মো. রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, কোন অবস্থাতেই এক জেলার সিএনজি অন্য জেলায় চলতে পারবে না। যদি চলে তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিন্তু সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকার অনেক বাসিন্দার নামেই মৌলভীবাজারের রেজিষ্ট্রেশন কৃত প্রায় ২০০ র অধিক সিএনজি রয়েছে।

অবশ্য এ বিষয়ে বি আর টি এ’র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই বিষয় গুলোতে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে।

দেখার পালা শেষ পর্যন্ত ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে গড়ে উঠা এই আন্দোলন কতটা সুফল বয়ে আনে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281