সিলেট জেলা পরিষদের মূল আলোচনায় এখন ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য পদ। কারণ এ পদে শিল্প নগরী খ্যাত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা থেকে শুধু তিন প্রার্থী রয়েছেন। একজন সদ্য সাবেক সদস্য ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাতি প্রতীকে আব্দুল আউয়াল কয়েস অন্যদিকে এক সময়ের ছাত্রদলের তুখোড় নেতা পরবর্তীতে আ.লীগে যোগদানকারী ইঞ্জিনিয়ার শহিদুর রহমান রোমান রয়েছেন তালা প্রতীকে এবং আওয়ামী লীগ নেতা নাহিদ হাসান চৌধুরী। তিনি লড়াইয়ে ঘুড়ি প্রতীকে।
তবে এর মধ্যে তৃণমূল রাজনীতির পরিক্ষিত এক নেতা আব্দুল আউয়াল কয়েস। যিনি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর পূর্বের নির্বাচনে (উপ নির্বাচন) কয়েস ৭১ টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হোন। এবারের নির্বাচনে তাই তিনি আশাবাদী বিজয়ী হবেন। এ বিষয়ে কয়েস বলেন, আমি জনপ্রতিনিধিদের কাছে কাছে যাচ্ছি। শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সঙ্গী হতে চাই। এজন্য এবারের নির্বাচনে আবারও দাড়িয়েছি। আমি আশাকরি জনপ্রতিনিধিরা আমাকে আবারও তাদের উন্নয়ন সঙ্গী হিসেবে বেচে নিবেন। পাশাপাশি আমি ইতিপূর্বে চেষ্টা করেছি তাদের সাথে থেকে উন্নয়ন কাজে অংশ নিতে। এবারও বিজয়ী তার ব্যতিক্রম হবে না।
অন্যদিকে ইঞ্জিনিয়ার শহিদুর রহমান আ.লীগের তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ পদেই নেই। যদিও তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। পাশাপাশি তিনি পূর্বে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। তবে নাহিদ হাসান চৌধুরী কোন আলোচনায়ই ছিলেন না। তিনি এই প্রথম জেলা পরিষদের নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন।



