সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও ইউনিয়ন এর কর্মধা গ্রামের রাস্তার উন্নয়ন খাতে বিগত ২০২২ ইং সনে ২৬ লক্ষ টাকার দুইটি বিল পাশ হয়। এর মধ্যে কর্মধা ও কুমারপাড়ার রাস্তা সংস্কারের টেন্ডার হয়। রাস্তা নির্মানের এক মাসের মাথায় ভেঙে যায় পাশের গার্ড ওয়াল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাশ এবং টিন দিয়ে গার্ড ওয়াল তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় সংবাদ প্রকাশের পর ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (প্রাক্তন) সরেজমিনে সেখানে গিয়ে সংবাদকর্মী সহ এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে দ্রুত নির্মানের আশ্বাস দেন। অথচ সেখানে উন্নত মানের কোন ইটের অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি। সেই সময় এলাকাবাসী বিক্ষোভ করলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পি আই ও কর্মকর্তা নিজে এসে পরিদর্শন করে তা ঠিক করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু এক বছর হয়ে গেলেও আগের মত তা রয়ে গেছে। বর্ষাকালে স্থানীয় এলাকাবাসী অনেক ভোগান্তির স্বীকার হোন। একদিকে ভাঙা মাটির রাস্তা অন্যদিকে ফাকা ইটের টুকরো।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলেও আশ্বাসেই রয়ে গেছে রাস্তাটি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর রাস্তাটি ইট সলিং কাজ হয়েছে প্রায় ১ কিলোমিটার। কিন্তু পুর্ব ফরিদপুর থেকে কর্মধা যাওয়ার এই রাস্তাটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়েছে। রাস্তায় ঠিকাদারি কাজে জড়িত ছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদুর রহমান ডেনেস, স্থানীয় ইউপি সদস্য আরমান হোসেন আনু ও ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়ছল আহমেদ।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা শারমিন এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি প্রকল্প কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু প্রকল্প কর্মকর্তার (ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা বাধন কান্তি সরকার) কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং পরবর্তীতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও পাওয়া যায় নি।



