place বাংলাদেশ সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাকালুকি হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে জল! আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ইন্তেকাল আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের কল্যাণে হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুলাউড়ায় ফরিদা রহমান ট্রাস্ট ও আলহেরা ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনজুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট কমিটির কাউন্সিল ও শপথ গ্রহণ  ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত যেসব আসন সিলেটে তিন আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, একটিতে এগিয়ে বিএনপি- স্বতন্ত্র প্রার্থী কম নয় সিলেট-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আকমল হোসেনের প্রচার মিছিল ও পথসভা ফেঞ্চুগঞ্জে এম এ মালিকের দিনব্যাপী  গণসংযোগ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি, রিকশায় চড়তে গেলে ফুটবলে দিতে হবে গোল! মালেকের সম্ভাবনা বেশি ডা. শফিকের ঘাটিতে কাপ পিরিচ নিয়ে জোয়ার উঠেছে সাহেদ খানের! স্পেনে অনিয়মিত অধিবাসীদের নিয়মিতকরণের ঘোষণায় দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে স্বস্তি কুলাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সাহেদের নির্বাচনী ৩৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা মনির আহমদ একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন যুক্তরাজ্য থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন ফেঞ্চুঞ্জের নাঈম জনপ্রিয় শিক্ষক ও সাংবাদিক জহিরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ! মশাহিদ আলী বালিকা মাদরাসার যেকোনো সহযোগিতায় ফেঞ্চুগঞ্জ কল্যাণ সমিতি ইউকে সব সময় চেষ্টা করে যাবে – মো. ছালিক মিয়া

ফেঞ্চুগঞ্জে টিলাধসে ভেঙে গেল ঘর, আশ্রয়হীন ৩ টি পরিবার

ফেঞ্চুগঞ্জ( সিলেট) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ জুলাই, ২০২২
  • ৬৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ফরিদপুর (মাঝের গাও) গ্রামের বাসিন্দা মো. তখলিছ মিয়া ও তার আরও ২ পরিবার নিয়ে টিলাধসের কারণে আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছেন। বর্তমানে তাদের তিনটি পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যা ১৮ জন। টিলা ধসে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আরও বসবাস করছেন ২ টি পরিবার।

তখলিছ মিয়া জানান, আমার ৩ শতক জায়গায় আমাদের আরও ভাই মিলে মোট তিনটি পরিবার বসবাস করতাম। কিন্তু টিলা ধসের কারণে ঘর সহ আমাদের বর্তমান বাড়িটিই বিলীন হয়ে গেছে। আমি আশাকরি সরকার যদি আমাকে আর্থিক সহযোগীতা করেন তবে ঘর মেরামত করে আবার পূণনির্মান করতে পারব।

বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছেন আশেপাশের আরও ৪ টি পরিবার। তারা জানান, যেকোনো সময় বৃষ্টি হলে ভেঙে আমাদের মাথার উপরে পড়বে ঘরগুলো। এজন্য দ্রুত মাটি সরিয়ে নিয়ে জায়গা খালি করে ঝুঁকিমুক্ত করার কথা জানান তারা।

সাধারণত আইনের মধ্যে টিলার মাটি কাটা নিষেধ থাকলেও ধসে যাওয়া মাটিগোলা সরিয়ে নিতে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেন বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যথাযথ খেয়াল রেখেছি এই সকল ঘরগুলো নিয়ে। পাশাপাশি আমরা তাদের বিষয়ে বন্যা পরিস্থিতি পরে দেখতে হবে। পাশাপাশি তিনি ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ি পূণ নির্মানের জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281