পানির স্রোতে তাল মিলিয়ে যে একবার নৌকার মাঝি হতে পেরেছে তাকে আবার কে ঠেকায়?
এবারও আলোচনায় সিলেট ৩ আসন (দক্ষিণ সুরমা- ফেঞ্চুগঞ্জ – বালাগঞ্জ) এ উজান – ভাটির বিপরীতে গত উপ-নির্বাচনে যে আস্থা রেখেছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তরুণ প্রজন্মের হাবিবুর রহমান হাবিব এর উপরে, ঠিক তেমনি এবারও সিগনালটা তার দিকেই ইশারা করছে।
প্রথমত, হাবিবুর রহমান হাবিব বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য অপরিহার্য একজন ব্যক্তি। যার কারণ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মাঠে কর্মী প্রয়োজন আর সেই কর্মীবান্ধব নেতাই কিন্তু হাবিব।
উল্লেখ্য – বিএনপি – জামায়াতের অসহযোগ আন্দোলন ঠেকাতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী হতে হবে এমন কেউ যে কিনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। যার কারণেই বলা যায় হাবিবের উপরই আস্থা থাকবে শেখ হাসিনার।
দ্বিতীয়ত, এক উপ-নির্বাচনে সিলেট ৩ আসনের উন্নয়নে হাবিবের যে ভূমিকা তা ফেলে দেওয়ার মত নয়। একের পর এক উন্নয়ন হয়েছে তার হাত ধরেই।
বাস্তব অর্থে বলতে গেলে এ আসনে জাতীয় পার্টির হেভিওয়েট একজন প্রার্থী থাকবে যে সেদিকে নজর কি আছে?
আছেন বিএনপি থেকে বঞ্চিত প্রার্থী:
হয়ত শুনলে অবাক হবেন অনেকে সিলেট ৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কোথায়? হ্যা- অঘটন তখনই ঘটবে যখন তৃণমূল বিএনপির ব্যানারে দেখা যাবে শফি চৌধুরী কে। পাশাপাশি এ আসনে রয়েছেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর দেলোয়ার হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা চৌধুরীও নির্বাচনে আসতে পারেন।
অবশেষে যেহেতু প্রসঙ্গটাই আ.লীগের সেই কারণে বলতে হবে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কারা রয়েছেন।
প্রথমেই আসবে বিএমএইচ এর মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল, বাংলাদেশ এথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু, আওয়ামী লীগ নেতা – মনির হোসাইন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শমসের জামাল, সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল সহ আরও কয়েকজন প্রার্থী।



