২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেই নির্বাচন ঘিরে ফাঁকা মাঠে চষে বেড়াতে চাচ্ছেন অনেক আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
সর্বশেষ উপ-নির্বাচনে সিলেট ৩ আসনে ২৫ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ফরম জমা দিলেও গত প্রায় দেড় বছর তাদের মধ্যে গোটা কয়েক নেতাদের মাঠে দেখা গিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাটলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুর রকিব মন্টু, স্যার এনামুল ইসলাম, ডা: এহতেশামুল হক দুলাল এবং আ স ম মিসবাহ। এছাড়া তেমন কাউকে জনগণের দৌড়গড়ায় পাওয়া যায় নি।
অবশ্য অনেকের অভিযোগ ছিল বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাধা প্রদান করেন। কিন্তু সরেজমিনে তা নিছকই মিথ্যা বলা যায়। হাবিব ব্যস্ত তার কার্যক্রম গতিশীল করতে।
নির্বাচন আসার পূর্বে মাঠ চুষে বেড়ান দুই ডজনের অধিক প্রার্থী। কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের অবস্থান কমতে থাকে।
এবারের নির্বাচন ঘিরে আবারও তোড়জোড় শুরু করেছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
এর মধ্যে প্রথমেই এগিয়ে রয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুর রকিব মন্টু।
তিনি জানান, আমি ৪ বার মনোনয়ন চেয়েছি। দল আমাকে মনোনয়ন না দিলেও আমি মাঠে কাজ অব্যাহত রেখেছি। বিগত করোনা – বন্যা সহ বিভিন্ন সময় আমি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আশাকরি এবার আমি মনোনয়ন পাব।
এ প্রসঙ্গে আ স ম মিসবাহ জানান, আমি একজন প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের একজন। আমি গতবার মনোনয়ন চেয়েছি এবারও চাইব।
ডা. এহতেশামুল হক দুলাল অবশ্য ভিন্ন পথে রয়েছেন। তিনি চান প্রয়াত সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে। কিন্তু তিনি বর্তমান সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মান প্রসঙ্গে কিছু বলেননি।
স্মার্ট বাংলাদেশ এবং স্মার্ট সংসদীয় এলাকা গড়তে মুখিয়ে আছেন আব্দুর রকিব মন্টু।
বর্তমান সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, আমাকে নিয়ে সমালোচনা করা হচ্ছে। আমি কি উন্নয়ন করিনি। আমি কি মানুষের পাশে দাড়াই নি। যারা আমার বিরুদ্ধে সমালোচনা করে তারাই কেবল আমাকে অপছন্দ করেন। আমি তাতে থেমে নেই। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। আর মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আমি শতভাগ আশাবাদী রয়েছি।
এছাড়াও সিলেট ৩ আসনে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করবেন ১৯৯১ সাল থেকে রাজনীতিতে জড়িত থাকা আতিকুর রহমান আতিক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সম্ভাবনা আছে ব্যারিস্টার মোস্তাকিম রাজা’র নির্বাচনে অংশ গ্রহণ। কিন্তু বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে তবে তাদের মধ্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এম এ সালাম দাড়াতে পারেন।



