place বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকালে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর শোক! কুলাউড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত এম এ মালেক কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়েছেন ইকবাল চৌধুরী এম এ মালেক কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ফেঞ্চুগঞ্জে লাশ উদ্ধার বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ শওকত আলী প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আজ কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন চিরকালঃ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি ফেঞ্চুগঞ্জে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন এ ম্যান অফ অ্যাকশন : এ লাইফ অফ লিডারশিপ, সার্ভিস অ্যান্ড কমিউনিটি শীর্ষক কুলাউড়ায় শিক্ষক-প্রাক্তন ছাত্রীর ঘটনা নিয়ে মহতোছিন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সংবাদ সম্মেলন ফ্যাসিবাদী শক্তি আর মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারবে না : এম এ মালেক এমপি ফেঞ্চুগঞ্জের পুলিশের বিশেষ মহড়া, ঈদে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ চেকপোস্ট অব্যাহত ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নুরুল হোসেন খোকন ফেঞ্চুগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদ এর কমিটি গঠন পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা রিকশা (মিশুক) শ্রমিক ইউনিয়ন

ফেঞ্চুগঞ্জে বন্যায় খামারির প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি, দিশেহারা খামারি ফখরুল!

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২
  • ৮৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম ফরিদপুর গ্রামে ২০১৮ সালে স্থানীয় বাসিন্দা ফখরুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে উৎসাহিত হয়ে প্রথমে দেশী ও বিদেশী জাতের ৫২ টি গাভী ক্রয় করেন। পরবর্তীতে আরও ২৫ বিদেশি জাতীয় গরু প্রায় ৬৪ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করেন৷ যা এবারের ঈদের সময় বিক্রি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ১২ টি বন্যার পানির কারণে খাদ্য সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। বর্তমানে খামারে অসুস্থ অবস্থায় ১০ টি গরু আক্রান্ত রয়েছে। পাশাপাশি ফখরুল ইসলাম তার বাড়ির পাশে একটি মাছের খামারে ৪৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু বন্যার পানিতে ইতমধ্যে খামার এবং মাছের প্রকল্প বিলীন হয়ে গেছে।

আনিশা এন্ড আয়ান ডেইরি ফার্মের উদ্যোক্তা ফখরুল ইসলাম জানান, আমি বন্যার পানির কারণে বর্তমানে পূর্বে দৈনিক ২২-২৫ হাজার টাকার দুধ বিক্রি করতে পারতাম। বর্তমানে আমার খামারে গো- খাদ্যের অভাব থাকায় দুধ সংগ্রহ করা একধরনের সম্ভব হচ্ছেনা। তিনি আরও জানান, আমি এ পর্যন্ত যে সকল ব্যংক থেকে লোন সংগ্রহ করেছিলাম তা দিতে হিমশিম খাচ্ছি।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জামিল আহমেদ জানান, এ পর্যন্ত আমাদের এ বিষয়ে কোন বরাদ্দ আসেনি, যদি বরাদ্দ আসে তবে আমরা গো- খাদ্য দেওয়ার চেষ্টা করব।

খামারে এ পর্যন্ত ১২ জন ব্যক্তি কর্মসংস্থানে রয়েছেন। কিন্তু তাদের বেতন দিতেও বিপাকে রয়েছেন খামারি ফখরুল ইসলাম।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281