ভারতের বরাক নদী থেকে উৎপত্তি সুরমা ও কুশিয়ারা নদী। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদী বয়ে গেছে সিলেটের গোলাপগঞ্জ, বালাগঞ্জ এবং দক্ষিণ সুরমা দিয়ে।
গত বছরের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে কুশিয়ারা নদীতে ব্যাপকভাবে ভাঙনের শিকার হয়। এর উল্লেখযোগ্য ফেঞ্চুগঞ্জের উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন, সদর ইউনিয়ন এবং উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য। কিন্তু বন্যা পরবর্তী সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নদী সংস্কারের কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু সরেজমিনে ঘুরে কিছু বালির বস্তা ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি।
ইতমধ্যে ভাঙনের কবলে পড়েছে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ডাইকের বাজার সহ বেশ কিছু জায়গা। নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় কাছাকাছি অবস্থান করছে।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াঙ্কা জানান, আমরা আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ ঘরের বাসিন্দাদের জন্য আশ্রয়স্থল ব্যবস্থা করেছি। এ বিষয়ে তিনি জানান – পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় থেকেও এ বিষয়ে সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম বলেন- একটি বরাদ্দ আসার কথা জানিয়েছিলেন পানি সম্পদ প্রতমন্ত্রী ডা. এনামুল হক। কিন্তু এখানো তা বাস্তবায়ন হয় নি।
সিলেট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ জানান, ফেঞ্চুগঞ্জের জন্য কুশিয়ারা নদী ভাঙন রোধে একটা বরাদ্দ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তা মন্ত্রনালয় থেকে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হতে আরও কিছু টা সময় লাগবে।
কুশিয়ারা তীরবর্তী মানুষ বর্তমানে বেশ ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। অন্যদিকে পানিবাহিত রোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।



