ইসলামী আন্দোলনের এক অকুতোভয় সিপাহসালারের নাম আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী। ইতিপূর্বে তাঁর জন্য বিভিন্ন সরকারের সর্বোচ্ছ মহল থেকে এমপি মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব এসেছে বার বার। তিনি স্ব-ইচ্ছায় তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন সংসদের বাহিরে থেকে সংসদকে পরামর্শ দিয়ে যাবেন। দিয়েও গেছেন।
কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় আজ অপরিহার্য হয়ে দাড়িছে সংসদে ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করার মতো একজন দ্বীন দরদী মানুষের। কারণ আজ শিক্ষা ব্যবস্থার ঘাড়ে নাস্তিক্যবাদীরা আস্থানা গেড়েছে, যারফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, রাষ্ট্র ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ধর্ম বিদ্বেষী বিশ বাষ্প ছড়ানো হচ্ছে।

জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে মহান জাতীয় সংসদে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর মতো একজন মর্দে মুজাহিদের বড্ড প্রয়োজন। দ্বীনের পক্ষে মুসলিম মিল্লাতের স্বার্থে আপোষহীনভাবে কথা বলার জন্য নিঃসন্দেহে তাঁর জুড়ি নাই।
তিনি ইতিপূর্বে প্রমাণ করেছেন যে, তিনি পারেন, পারবেন। রাষ্ট্রের কোন দায়িত্বে না থেকেও তিনি উম্মাহ’র জন্য, ইসলামী তাহজিব তামাদ্দুনের জন্য তিনি জাতিকে অনেক কিছু দিয়েছেন। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আন্দোলনে তিনি প্রধান সেনাপতির ভূমিকা পালন করেছেন, বিতর্কিত নারী নীতি বন্ধ করতে অগ্রনায়কের ভূমিক পালন করেছিলেন, শাহজালাল ইউনিভার্সিটিতে জাহানারা ইমামের মুর্তি নির্মাণ বন্ধ করেছিলেন, হাইকোর্টে মুর্তি বিরুধী আন্দোলনের জাতীয় পর্যায়ে স্বোচ্ছার ভূমিকায় ছিলেন, সর্বশেষ তিনি একাই বিতর্কিত ডারউইনের মতবাদভূক্ত পাঠ্যপুস্তক বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করেছেন। শুধু তাইনা- আঞ্চলিক, জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যখনই ইসলাম ও মুসলমানের উপর আঘাত এসেছে তিনি তার বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার ভূমিকা পালন করেছেন।
আজ সেই ব্যক্তিত্ব ইসলাম ও মুসলমানদের বৃহৎ স্বার্থে মহান জতীয় সংসদে দ্বীনের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য এগিয়ে এসেছেন। তা নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এবং প্রসংশার দাবীদার।
আসুন দলমত নির্বিশেষে দ্বীন ইসলামের স্বার্থে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলীর পাশে দাড়াই। ভোট দিয়ে, দোয়া করে, সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে- জয়যুক্ত করে সংসদে একজন আল্লাহর ওলী’কে প্রেরণ করি।
লেখক: হোসাইন ইকবাল



