place বাংলাদেশ সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন

ফেঞ্চুগঞ্জে একটি বিদ্যালয়কে কে ঘিরে যত রহস্য!

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিপিএম উচ্চ বিদ্যালয় (পুরান বাজার পাবলিক স্কুল) দুই বছর আগে ৫০ বছরে পা রেখেছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান তুলনামূলক ২০০৯-২০১৪ সাল পর্যন্ত ভালই ছিল। পরবর্তীতে তেমন কোন অর্জন এই বিদ্যালয়ের দ্বারা হয়েনি।

পিপিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী এখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। সর্বশেষ বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী হয়েছে।

গত কিছুদিন ধরে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আজিমা বেগমের উপর বিভিন্ন অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসছে। এ নিয়ে হতাশায় আছেন অভিভাবকরা।

জানা যায়, বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী ও আয়া নিয়োগে মোট ৪ লক্ষ টাকার ঘোষ লেনদেন হয়েছিল। যা স্বীকার করেছেন ভুক্তভোগী ব্যক্তিরাও। যদিও তারা ভিন্ন ভিন্ন কথা বলছেন কিন্তু সর্বশেষ একটি লাইভ অনুষ্ঠানে তারা সরাসরি ঘোষ লেনদেনের অভিযোগ তুলে আনেন।

এনিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ সুলেমান হোসেন বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছুই জানিনা। বিষয়টির জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে তারা (আজ) বৃহস্পতিবার রিপোর্ট প্রদান করবেন।

অন্যদিকে লাইভ ভিডিও তে উঠে আসা প্রধান শিক্ষক সৈয়দ সুলেমান হোসেন এ বিষয়ে জড়িত রয়েছেন বলে জানা যায়। এ তথ্য সরাসরি নৈশপ্রহরী ও আয়া দুজনেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের লাইভে স্পষ্ট উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষিকা আজিমা বেগম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন – আমি কোন টাকা নেই নি। এমনকি এই বিষয় সম্পর্কে কিছুই জানিনা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত সৈয়দ সুলেমান হোসেন বলেন – আমি বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটিকে জানিয়েছি। এবং ৫ সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুল হুদা জালালাবাদ ভিউ-কে মুঠোফোনে জানান – আমি নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়ম প্রসঙ্গে অবহিত হয়েছি এবং তা খতিয়ে দেখছি।

এমনকি ফেইসবুক লাইভে উল্লেখ্য রয়েছে যে, বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী ও আয়া-কে জোরপূর্বক লিখিত স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী জুয়েল এর মা এবং ভাই এবং আয়া আসমা বেগম বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আজিমা বেগমের উপর বিভিন্ন হুমকি ও নিরাপত্তার অভিযোগ নিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। এমনকি শিক্ষিকা আজিমা বেগম নাকি তাদেরকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি লিখিত নিয়েছেন বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসা অভিযোগ তদন্ত করে খতিয়ে দেখা এবং মূল অভিযুক্ত যারা রয়েছে তাদের যেন শাস্তি হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জের প্রবীণ শিক্ষানুরাগীরা বলছেন – অবিলম্বে এ বিষয়ে সুঠু সমাধান করে বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখা উচিত। একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো বিদ্যালয়ের পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281