ঢাকা বোট ক্লাবে পরীমনি কাণ্ডে আলোচনায় আসেন অমি। নায়িকার করা মামলায় দুই নম্বর আসামি তিনি। এ ছাড়া এই নায়িকাকে ফাদেঁ ফেলতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টারের আড়ালে অমি নারী পাচারের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। নারী পাচার দিয়ে উত্থান এই অমি পরীমনিকাণ্ডেরও অন্যতম হোতা। সিনেমা ব্যবসার লোভ দেখিয়ে পরীমনিকে দীর্ঘদিন দিন ধরে বশে আনার চেষ্টা করেন অমি।
৯ জুন ঘটনার দিন রাতে পরীমনির বাসায় যান অমি। ওই রাতে পরীমিন মূলত অমির গাড়িতে চড়ে বোট ক্লাবে যান।
সূত্রে আরও জানা গেছে, বোট ক্লাবে যখন উত্তেজিত হয়ে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ এবং অমি নায়িকার গায়ে হাত তোলেন এ সময় সেখানে আরও দুই ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ওই দুই ব্যক্তিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।
জালালাবাদ /৩৫৭৮



