মৌলভীবাজার জেলা, কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভালো ভালো পরিবারের মেয়েদের বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবিরত নোংরা অপপ্রচার করছে।
নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই কাজ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার ও ডিবি কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট থানায় বেশ কটি অভিযোগ দিলেও কেউ আটক বা আইডিগুলো এখনো বন্ধ করা হয়নি।ফলে এই সাইবার অপরাধের শিকার অন্তত ৫টি পরিবার সামাজিক সুরক্ষা না পেয়ে মান সম্মানের ভয়ে নিজে থেকে একঘরে হয়ে পড়েছে।এমনকি দুএকজন নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারে এমন আভাস পাওয়া গেছে।পুলিশ অবশ্য বলছে তারা ফেইক আই ডি সনাক্তের জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
জিডির কপি ও সংশ্লিষ্ট ভিকটিমদের অবিবাহিতা এক যুবতী জানান, তিনি একজন অবিবাহিতা এনজিও কর্মী। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়ান। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে হ্রদয়ে বাংলাদেশ, মাইশা জান্নাত এবং কর্ণিকা রবিনহুড, হাজীপুর বিএনপি নামকসহ কয়েকটি ভুয়া আইডি থেকে গর্ভপাত করিয়েছে সহ অনেক মানহানিকর নোংরা অরুচিকর কথা লিখেছে। তিনি লিখিত ভাবে পুলিশ সুপারের কার্যালয়,মৌলভীবাজার, ডিবি পুলিশ, কুলাউড়া থানায় অভিযোগ এবং বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দিয়েছেন।কিন্তু ব্যবস্থা তো দূরের কথা এখন লেখালেখি আরো বেড়ে ,গেছে।
অনুরপভাবে আরো ৩ জন অবিবাহিতা নারী এবং চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে এসব আইডি থেকে অবিরত অরুচি এবং চরম মানহানিকর পোস্ট করছে।
এই সাইবার অপরাধ বিষয়ে হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু বলেন বিশেষ করে আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিচার আচার বিয়াবিনি শিরনী পুজা অর্চনা এমনকি পারিবারিক সমস্যা সমাধানে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে অনেকের বাড়িঘরে আমার যেতে হয়েছে। এখন ভোট সামনে রেখে হ্রদয়ে বাংলাদেশ, হাজীপুর বিএনপি, কর্ণিকা রবিনহুড, মাইশা জান্নাত, শেখ নুসরাত তিন্নি,এসব ফেইসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন অরুচিকর লেখালেখি চলছে।
কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নে চলছে নজিরবিহীন সাইবার অপরাধ । একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভালো ভালো পরিবারের মেয়েদের বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী সাজিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবিরত নোংরা অপপ্রচার করছে। নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই কাজ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার ও ডিবি কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট থানায় বেশ কটি অভিযোগ দিলেও কেঊ আটক বা আইডিগুলো এখনো বন্ধ করা হয়নি।ফলে এই সাইবার অপরাধের শিকার অন্তত ৫টি পরিবার সামাজিক সুরক্ষা না পেয়ে মান সম্মানের ভয়ে নিজে থেকে একঘরে হয়ে পড়েছে।এমনকি দু’একজন নারী অত্মহননের পথ বেছে নিতে পারে এমন আভাস পাওয়া গেছে।পুলিশ অবশ্য বলছে তারা ফেইক আই ডি সনাক্তের জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।
জিডির কপি ও সংশ্লিষ্ট ভিকটিমদের অবিবাহিতা এক যুবতী জানান, তিনি একজন অবিবাহিতা এনজিও কর্মী। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়ান। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে হ্রদয়ে বাংলাদেশ, মাইশা জান্নাত এবং কর্ণিকা রবিনহুড, হাজীপুর বিএনপি নামকসহ কয়েকটি ভুয়া আইডি থেকে গর্ভপাত করিয়েছে সহ অনেক মানহানিকর নোংরা অরুচিকর কথা লিখেছে।তিনি লিখিত ভাবে পুলিশ সুপারের কার্যালয়,মৌলভীবাজার, ডিবি পুলিশ, কুলাউড়া থানায় অভিযোগ এবং বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দিয়েছেন।কিন্তু ব্যবস্থা তো দূরের কথা এখন লেখালেখি আরো বেড়ে ,গেছে। অনুরপভাবে আরো ৩ জন অবিবাহিতা নারী এবং চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে এসব আইডি থেকে অবিরত অরুচি এবং চরম মানহানিকর পোস্ট করছে।
এই সাইবার অপরাধ বিষয়ে হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চু বলেন বিশেষ করে আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিচার আচার বিয়াবিনি শিরনী পুজা অর্চনা এমনকি পারিবারিক সমস্যা সমাধানে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে অনেকের বাড়িঘরে আমার যেতে হয়েছে। এখন ভোট সামনে রেখে হ্রদয়ে বাংলাদেশ, হাজীপুর বিএনপি, কর্ণিকা রবিনহুড, মাইশা জান্নাত, শেখ নুসরাত তিন্নি,এসব ফেইসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন অরুচিকর লেখালেখি চলছে।এমনকি কর্তব্য পালনে যাওয়া প্রতিটি বাড়িতে ফষ্টিনষ্টি করেছি মর্মে লিখতে শুরু করেছে। যে কারণে পুরো ইউনিয়নে একটা অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটতে পারে।
আমার ধারণা হয়তো আগামী নির্বাচনে ফায়দা নিতে অথবা সম্প্রতি ইউনিয়নের একজন মহাল্লাদার ও দফাদার এর চেকে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও বিভিন্ন দূর।এমনকি কর্তব্য পালনে যাওয়া প্রতিটি বাড়িতে ফষ্টিনষ্টি করেছি মর্মে লিখতে শুরু করেছে। যে কারণে পুরো ইউনিয়নে একটা অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটতে পারে।
আমার ধারণা হয়তো আগামী নির্বাচনে ফায়দা নিতে অথবা সম্প্রতি ইউনিয়নের একজন মহাল্লাদার ও দফাদার এর চেকে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও বিভিন্ন দূর্ণীতির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া এই লেখালেখি।



