place বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটের ৬টি আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী মনিটরিং দায়িত্বে কামাল হাসান জুয়েল জনতার আস্থার প্রতীক ফজলুল হক খান সাহেদ: রাফসান মোহাম্মদ রাহিন সিলেট -৩ আসনে দশ দলীয় জোটের বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ জামায়াতে ইসলামী ভাটেরায় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত এসোসিয়েশন অব ইসলামিক টিচার্স ইউকে’র বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫ সম্পন্ন গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পেলেন কাজী সামাদ আজাদ, মামলা নিয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণের অভাব ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫ এর বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন ফ্রান্স যুব সমাজের আত্মপ্রকাশ সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) স্মরণে সম্মেলন জিলক্বদ মাসের ফজিলত ও ইবাদত: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী রাষ্ট্রের দায়িত্বে কে যাবে সেই ফয়সালা আল্লাহ করবেন : আমিরে জামাত সাইবার হামলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আগামীকাল কুলাউড়া সফরে আসছেন আমীরে জামাত ডা. শফিকুর রহমান কাল কুলাউড়া সফরে আসছেন জামায়াতের আমীর  ডা. শফিকুর রহমান কুলাউড়ায় ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন কুলাউড়ায় ‘আদর্শ পাঠাগার বইপড়া উৎসব-২০২৫ অনুষ্ঠিত লীলা নাগ স্মৃতি পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনকে রক্ষা করা মুসলিম জাতির ঈমানি দায়িত্ব! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী

হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও আ.লীগের সাবেক চেয়ারম্যান কারাগারে

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একে টুটুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও আব্দুল মতিনের ভাই তুরণ মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২৩নভেম্বর সংশ্লিস্ট আদালতে জামিন চাইলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী সিলেট জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০জুলাই বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের জবান উল্যার ছেলে কাঠমিস্ত্রী সুহেল মিয়ার উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বালাগঞ্জে বাজারে অতর্কিত হামলা করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন সুহেলকে রক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে চিকিৎসা করাতে নেয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা বাধা দেন। মারাত্মক আহত অবস্থায় জোর পূর্বক সুহেলকে বালাগঞ্জ থানায় নিয়ে যান হামলাকারীরা। খবর পেয়ে সুহেলের ভাই থানায় গিয়ে সেখান থেকে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। হামলায় গুরুতর আহত সুহেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ৯আগস্ট রাতে মারা যান তিনি। লাশ বাড়িতে নেয়া হলে হামলাকারীরা ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করার জোর চেষ্টা চালান। পরে ৯৯৯-এ কল দিলে বালাগঞ্জ থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। লাশ দাফনের পর সুহেলের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেন হামলাকারীরা।
এই ঘটনায় সুহেলের স্ত্রী হেপি বেগম বাদী হয়ে বালাগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করে। নিরুপায় হয়ে ১৪আগস্ট সিলেট আদালতে মামলা করেন তিনি। বালাগঞ্জ সিআর মামলা নং-৮৭। মামলায় চাঁনপুর গ্রামের সৈয়দ উল্যার ছেলে বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, তার ভাই তুরণ মিয়া, একই গ্রামের কদর উল্যার ছেলে বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একে টুটুল, বালাগঞ্জ উপজেলার নতুন সুনামপুর গ্রামের ইকবাল মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা
শাহরিয়ার রাহীসহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নথিভুক্ত করেন। পাশাপাশি তদন্ত করে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করার জন্য বালাগঞ্জ থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত।
এদিকে, আদালতের নির্দেশে থানা পুলিশ মামলা রেকর্ডের পর মামলায় অভিযুক্তরা পুলিশের সামনে দিব্যি ঘুরাফেরা করেছেন বকে অভিযোগ করেন নিহিত সুহেলের পরিবার। পুলিশের চোখের সামনে দলীয় কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে তারা অংশগ্রহণ করলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেনি।
বালাগঞ্জ থানার সদ্য সাবেক ওসি রমাপ্রসাদ চক্রবর্তী বালাগঞ্জ থানা থেকে বদলী হওয়ার ঠিক আগ মুহুর্তে বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই হত্যা মামলার ফাইনাল রিপোর্ট (চার্জশীট) আদালতে প্রেরণ করেন বলে বাদী পক্ষের লোকজন অভিযোগ তুলেছেন। যেটির জিআর মামলা নং-৬৩/২৩।
বাদী পক্ষের আইনজীবি সিলেট জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট সাব্বির আহমদ বলেন, আসামি গ্রেফতার ও মামলার অগ্রগতি না করায় বালাগঞ্জ থানার সাবেক ওসিসহ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন মামলার বাদী হেপি বেগম। এরই মধ্যে ওসি কৌশলে থানা থেকে ফাইনাল রিপোর্ট দিয়ে দেন। এতে বাদীর পরিবার খুবই মর্মাহত হয়েছেন। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমরা নারাজি দিয়ে আদালতের কাছে জুডিসিয়াল তদন্তের দাবি জানাবো। ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার আগে অভিযুক্ত তিনজন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেয়ার পর জামিনের সময়সীমা শেষ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালতে তাদের জামিন না মঞ্জুর করেন।
মামলার বাদী হেপী বলেন, বালাগঞ্জ বাজারস্থ আকবর কমিউনিটি সেন্টারের পেছনে আমাদের রাস্তার পাশের জমি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন আব্দুল মতিন চেয়ারম্যান, ছাত্রলীগ নেতা একে টুটুল ও তাদের সহযোগীরা। আমার স্বামী তাতে বাধা দেন। এজন্য আমার স্বামীর ওপর ক্ষুব্ধ ছিল তারা। একারণেই তারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে। আমার ২টি সন্তান রয়েছে, তারা এতিম হয়ে গেল। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি আমার স্বামী হত্যার ন্যায় বিচার চাচ্ছি, আসামিদের কঠোর শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281