place বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটের ৬টি আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী মনিটরিং দায়িত্বে কামাল হাসান জুয়েল জনতার আস্থার প্রতীক ফজলুল হক খান সাহেদ: রাফসান মোহাম্মদ রাহিন সিলেট -৩ আসনে দশ দলীয় জোটের বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ জামায়াতে ইসলামী ভাটেরায় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত এসোসিয়েশন অব ইসলামিক টিচার্স ইউকে’র বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫ সম্পন্ন গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পেলেন কাজী সামাদ আজাদ, মামলা নিয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণের অভাব ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫ এর বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন ফ্রান্স যুব সমাজের আত্মপ্রকাশ সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) স্মরণে সম্মেলন জিলক্বদ মাসের ফজিলত ও ইবাদত: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী রাষ্ট্রের দায়িত্বে কে যাবে সেই ফয়সালা আল্লাহ করবেন : আমিরে জামাত সাইবার হামলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আগামীকাল কুলাউড়া সফরে আসছেন আমীরে জামাত ডা. শফিকুর রহমান কাল কুলাউড়া সফরে আসছেন জামায়াতের আমীর  ডা. শফিকুর রহমান কুলাউড়ায় ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন কুলাউড়ায় ‘আদর্শ পাঠাগার বইপড়া উৎসব-২০২৫ অনুষ্ঠিত লীলা নাগ স্মৃতি পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনকে রক্ষা করা মুসলিম জাতির ঈমানি দায়িত্ব! হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী

সবাইকে নিয়ে একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। ডা. শফিকুর রহমান

শেখ সাইফুল সিদ্দিকী
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৫৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 

মৌলভীবাজার জেলা কুলাউড়া উপজেলা জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনীতে বক্তব্য দেন জামাতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কুলাউড়ার কৃতি সন্তান ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটা দেশ দেখতে চাই যেখানে চাঁদাবাজ, ঘুষখোর ও সুদখোরদের ঠাঁই হবে না। যেখানে আল্লাহর আইন, মানবতার আইন ও মানবিক আইন প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা এমন একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এসময় তিনি বলেন, জন্মস্থানের একটা মায়া, একটা ভালোবাসা আছে। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর আপনাদের সামনে ২৪ বছর পর কথা বলার সুযোগ হয়েছে। কুলাউড়ার মানুষ যেভাবে চেনে অন্য কেউ সেভাবে চেনে না। আমি কি যুদ্ধাপরাধী? না। অথচ আমার ওপর যুদ্ধপরাধের মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল সাড়ে ১২ বছর। সাড়ে ১২ বছরের মানুষ যুদ্ধকালীন সময়ে মানুষ খুন করতে পারে- এটা বিশ্বাসযোগ্য কথা? চেষ্টা করা হয়েছে। কেউ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগও দেয়নি, সাক্ষ্যও দেয়নি। হিন্দু ভাইয়েরাও তাতে রাজি হয়নি। আমি সেই সময় জামায়াতে ইসলামীও করতাম না। আমি অন্য একটা সংগঠন করতাম। যেটা বলতে এখন লজ্জা হয়। নতুন বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও শহীদদের হত্যার বিচার কার্যক্রম শেষ করতে আমাদের লড়াই এখনও চলছে। এই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত জালিম সরকারের আমলে আমরা ১১ জন শীর্ষ সহকর্মীসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে হারিয়েছি, ৫ শতাধিক মানুষ পঙ্গু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ হামলা-মামলার শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল। আগস্টের ১ তারিখ আমাদের নিষিদ্ধ করা হয়। সে সময় আল্লাহকে বলেছিলাম, ৪ দিন পর আল্লাহর বিচার হয়েছে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্রদের সঙ্গে আমরাও ছিলাম। জালিমের মাথা আল্লাহ গুড়িয়ে দিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, ২৬ লাখ কোটি টাকা শুধু আওয়ামী লীগের নেতারা পাচার করেছে। প্রশাসন কত টাকা পাচার করেছে আল্লাহই ভালো জানেন। তাদের ভাব ছিল এমন যে- তারা রাজা, আর আমরা প্রজা। ওই সরকার কারো সঙ্গে ভালো আচরণ করেনি। ৭ বছরের শিশুও আন্দোলন করেছে। এক মা দুধের শিশু সন্তান কোলে নিয়ে আন্দোলনে এসেছেন। সন্তানদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করার জন্য তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন বলে সাংবাদিকদের বলেছেন। এটা ছিল জুলাই বিপ্লব।

ডা. শফিক বলেন, আমি যেসব শহীদের বাড়ি গিয়েছি, তাদের জিজ্ঞেস করেছি কেমন আছেন, তারা শুধু টপটপ করে চোখের পানি ফেলেছেন। জানতে চেয়েছিলাম- কী চান? তারা বলেছিলেন, জালিমের হাতে দেশটা যেন আর না যায়। দেশটা আপনাদের হাতে দেখতে চাই। আপনাদের চাওয়াও কি এক? যদি এক হয়, তাহলে লড়াই আমাদের শেষ না, লড়াই শুরু। শহীদের পরিবারের চোখের পানি যতদিন- আমাদের লড়াই মাত্র শুরু, এই লড়াই চলবে ততদিন। যতদিন এই দেশে আল্লাহর আইন, মানবতার আইন, মানবিক আইন প্রতিষ্ঠিত না হয়।

তিনি বলেন, কুলাউড়া উপজেলায় ৩৪ চা বাগান রয়েছে। তারা হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করেন। আমরা আগেও দাবি তুলেছি যেন শ্রমিকদের ন্যায্য মুজুরি নিশ্চিত হয়। আমরা তেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবি চাই না, যাদের ভেতর মানুষত্ব নেই। আমরা চাই প্রকৃত মানুষ। যারা মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবেন, তাদের প্রয়োজন। আমরা একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেখানে হিন্দু-মুসলিম কিংবা মেজরিটি-মাইনরিট বলে কিছু থাকবে না। দুঃশাসন এবং জুলুমের কারণে আপনাদের মুখ দেখতে পারিনি। আজ প্রাণখুলে দেখতে চাই।

ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আব্দুল মুনতাজিমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগরীর আমির মো. ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলার ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা আমির সিরাজুল ইসলাম মতলিব, অ্যাডভোকেট আব্দুর রব, মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ঢাকা পল্টনের আমির শাহিন আহমদ খান, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল মান্নান প্রমূখ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281