দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট ৩ আসনে প্রায় এক ডজন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন ৯০ দশকের ছাত্রনেতা – সারকারখানা বাচাও আন্দোলন এর অন্যতম সদস্য – সৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সরাসরি ছাত্রলীগ কে নেতৃত্ব দেওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় ছাত্রনেতা – এক ব্যক্তি এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু।
পাশাপাশি তিনি খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ফেঞ্চুগঞ্জের ব্যক্তি হিসেবে সিলেট ৩ (দ.সুরমা- বালাগঞ্জ -ফেঞ্চুগঞ্জ) এর একটি অংশ হিসেবে আব্দুর রকিব মন্টু’র অবদান কম নয়।
এ আসনে রয়েছেন নৌকার মাঝি হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনিও কম কিছু করেন নি। তার ক্ষুদ্র সময়ে যা পেরেছেন তা দিয়েছেন জনগণকে।
কিন্তু ঘুরেফিরে একই নাম বার বার আসে আব্দুর রকিব মন্টু।
কেন?
সিলেটের ইতিহাসের পাতায় মন্টুর পরিবার জড়িত। উড়ে এসে জুড়ে বসেনি। বাবা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা – তার ভাইয়েরা কাজ করছেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে। তার পরিবারের প্রায় সদস্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। কেউ প্রবাস থেকে সাহস যোগাচ্ছেন আবার কেউ সরাসরি মাঠে ময়দানে।
কেন এমপি হতে চান?
তিনি সেই প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, আমি একমাত্র ব্যক্তি মানুষ কি চায় তা বুঝি। আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। ঘরে ঘরে চাকরি হবে, কেউ বেকার থাকবে না। সেই কারণেই আমি এমপি হতে চাই। আমি চাই ফেঞ্চুগঞ্জ শাহজালাল সারকারখানায় আমার এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীরা চাকরি করুক। আমি চাই খেলাধুলার মাধ্যমে আমার এলাকার যুব সমাজ মাধকমুক্ত হউক সেই প্রত্যাশার বার্তা নিয়ে এসেছি। দলের মনোনয়ন পেলে আমাকে সাধারণ জনগণ ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। কারণ আমি মন্টু কারোও ক্ষতি করিনি চেষ্টা করেছি উপকার করতে।
একটি উন্নত আধুনিক সিলেট ৩ গড়তে আব্দুর রকিব মন্টু’র প্রয়োজন বলে মনে করেন সাধারণ জনগণ।



