place বাংলাদেশ সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাকালুকি হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে জল! আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ইন্তেকাল আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের কল্যাণে হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুলাউড়ায় ফরিদা রহমান ট্রাস্ট ও আলহেরা ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনজুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট কমিটির কাউন্সিল ও শপথ গ্রহণ  ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত যেসব আসন সিলেটে তিন আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, একটিতে এগিয়ে বিএনপি- স্বতন্ত্র প্রার্থী কম নয় সিলেট-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আকমল হোসেনের প্রচার মিছিল ও পথসভা ফেঞ্চুগঞ্জে এম এ মালিকের দিনব্যাপী  গণসংযোগ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি, রিকশায় চড়তে গেলে ফুটবলে দিতে হবে গোল! মালেকের সম্ভাবনা বেশি ডা. শফিকের ঘাটিতে কাপ পিরিচ নিয়ে জোয়ার উঠেছে সাহেদ খানের! স্পেনে অনিয়মিত অধিবাসীদের নিয়মিতকরণের ঘোষণায় দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে স্বস্তি কুলাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সাহেদের নির্বাচনী ৩৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা মনির আহমদ একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন যুক্তরাজ্য থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন ফেঞ্চুঞ্জের নাঈম জনপ্রিয় শিক্ষক ও সাংবাদিক জহিরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ! মশাহিদ আলী বালিকা মাদরাসার যেকোনো সহযোগিতায় ফেঞ্চুগঞ্জ কল্যাণ সমিতি ইউকে সব সময় চেষ্টা করে যাবে – মো. ছালিক মিয়া

শত বছরেও উন্নয়নের বিন্দুমাত্র ছোঁয়া লাগেনি,  অল্প বৃষ্টিতে হাটুজল! এ দূর্ভোগের শেষ কোথায়?

রাসেল আহমদ, গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শত বছরেও উন্নয়নের বিন্দুমাত্র ছোঁয়া লাগেনি,  অল্প বৃষ্টিতে হাটুজল! এ দূর্ভোগের শেষ কোথায়?

 

একটি মাত্র রাস্তার জন্য শত বছর ধরে মারাত্বক দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রামবাসীর। এলাকার প্রধান সড়ক থাকার পরও বছরের বেশীর ভাগ সময় তাদের যাতায়াত করতে নদী পথে নৌকা যোগে। গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দুরত্ব থাকলেও শুধু চলাচলের অভাবে সাপ্তাহিক বা মাসিক বাজার সদাই এক সাথে করেন তারা। অল্প বৃষ্টিতেই হাটু জলের পাশাপাশি হয়ে হাটু পরিমাণ কাদায় রূপ নেয় রাস্তাটি। স্থানীয় চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রশাসন, সিলেট-৬ আসনের সাংসদ ও সংশ্লিষ্টদের কাছে বার বার ধর্না দিলেও আজো উন্নয়ন কাজের ছোয়া লাগে এলাকার রাস্তায়। পুরো এলাকাবাসীর একটাই দাবী সরকারী উদ্যোগে যেন তাদের স্বপ্নের রাস্তাটি সংস্কার করে দেয়া হয়। শত বছরের কষ্ট লাগবে যেন উন্নয়নের এ সরকার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। এই রাস্তাটির অবস্থান গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৯নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের ঘাগুয়া গ্রামে। এলাকার সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তার জন্য বছরের বেশীর ভাগ এলাকার যাতায়াত করে না ছোট বড় কোন ধরনের যান বাহন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটি অবস্থা এতই ভয়াবহ গ্রামবাসী হেটে চলাচলেরও অনুপযোগী। বিকল্প কোন সুযোগ না থাকায় এলাকাবাসীকে জীবনের ঝুকি নিয়ে ছোট ছোট যান নিয়ে চলাচল করেন। তবে শুধু মাত্র শুকনো মৌসুমে অথবা দীর্ঘদিন প্রখর রোদ্দুর থাকলে যান চলাচল করতে পারে। অল্প বৃষ্টি হলেই সপ্তাহখানেক পুরোপুরি বন্ধ থাকে যান চলাচল। এই এলাকা কুশিয়ারা নদী তীরবর্তী হওয়ায় বছরের বেশীর ভাগ সময় তাদের নদী পথেই যাতায়াত করতে হয়। আমুড়া এলাকার প্রধান সড়ক থেকে বিগত দিনে গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার এলাকার সাংসদ নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি’র উদ্যোগে কয়েক শ মিটার সড়ক পাকাকরণ হলেও এলাকাবাসী কোন কাজে আসছে না।

এলাকার প্রবীণ মুরব্বি আফতাব উদ্দিন, মনাই মিয়া ও ছালিক মিয়া জানান, জন্মেছি এই গ্রামে। আজ মৃত্যুর খুব সন্নিকটে। কিন্তু রাস্তা আজো সংস্কার করা হয় নি। স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন আসলে জনপ্রতিনিধি ও এমপি-মন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে যান। বিজয়ের পর আর খোজ নেয়া হয় না আমাদের। মৃত্যুর আগে এই রাস্তাটি সংস্কার হয়েছে দেখে যেতে চাই। বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সহ-সভাপতি শামিম আহমদ জানান, আমাদের অভিভাবক সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আমরা আপনার মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাই আমাদের সড়কটি নির্মাণ করে দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে আমাদের মুক্ত করে দিন।

যুক্তরাষ্ট্র পেটারসন সিটি আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও জাবেদ বিডি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শায়েক হোসাইন জানান, আমরা ক্লাব ও আমাদের পরিবারের মাধ্যমে এই এলাকার মাননোন্নয়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। বিশেষ করে এই এলাকার হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। শিক্ষা ক্ষেত্র এগিয়ে নিতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা হতদরিদ্র মানুষকে প্রতি বছর যে খাদ্য, ত্রান ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করি, সেই পণ্য গুলোও আমাদের নদী পথে নিয়ে যেতে হয়। গোলাপগঞ্জের একবারেই নিকটে থাকার পরও আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের  মত বসবাস করে আসছি একটি মাত্র রাস্তার কারণে। তিনি বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ জানান, রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে দেয়ার জন্য।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান প্রতিবেদককে জানান, ঘাগুয়া এলাকার রাস্তাটি আমরা পরিদর্শন করেছি। মূলত নদী তীরবর্তী রাস্তা গুলো কাজ করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমোদন লাগে। আর এলজিইডি যে রাস্তা গুলো সংস্কার করে, সেগুলো ২ ফুটের উপরে ভরাট করার নিয়ম নেই। আর ঘাগুয়া এলাকার রাস্তাটি সংস্কার করতে হলে কমপক্ষে ৪/৫ ফুট উচু বা ভরাট করতে হবে, যা ইউনিয়নের মাটি ভরাটের প্রকল্প থেকে বাস্তবায়ন করা দরকার।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281