মৎস্য নীতিমালা আইনে জলমহাল শুকিয়ে মৎস্য আহরণে বিধি নিষেধ থাকলেও তা অমান্য করে মাকুন্দা গাঙে বিষ প্রয়োগ এবং সেচ দিয়ে শুকিয়ে মাছ ধরে লাকেশ্বর মাজপাড়ার ফকির মস্তফা,পশ্চিমপাড়ার মিলাদ হোসেন(মেম্বার),সুহেল ও সৈয়দুর রহমান।
গাঙ সেচের বিরুদ্ধে বৃহত্তর লাকেশ্বরের বিভিন্ন পেশার ৯২ জন মানুষ সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরারর আবেদন করে, আবেদন প্রেক্ষিতে প্রশাসন বারবার নিষেধ দেবার পরও তারা গাঙ সেচ ও বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরে তাতে জীববৈচিত্রও ধ্বংস হয়।
স্হানীয় কৃষক আজির উদ্দীন,ছাইম উদ্দীন,
মন্টু মিয়া,বিরাজ মিয়া,গিয়াস উদ্দীন,শিরাব আলী প্রমুখ বলেন,”অন্যান্য বছর পানি থাকার কারণে আমরা খেত-খামার করতে পারতাম, কিন্তু এ বছর পানি নেই বলে কয়েক’শ বিঘা জমি পতিত থাকবে।আমরা এখন না-খেয়ে মরতে হবে।গাঙের পাড়ে ছুরাব আলী,খাদেল-সহ আরো অনেকের বাড়িঘর বিলীন হচ্ছে।রাস্তাঘাট বিলীন।বিষ প্রয়োগের ফলে বড় পলির গ্রামের ছানাউর রহমানে কয়েকটি হাঁস মারা যায়,যা স্হানীয় চেয়ারম্যান অফিসে মীমাংসা হয়।বিষে প্যাকেট স্বয়ং ছাতক এ্যাসিল্যান্ড কর্তৃক তদন্তকারী সংগ্রহ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,প্রকৃত জেলেরা মাছুয়া)কোনো জলমহাল লিজ নিতে পারছে।ফকির মস্তফা ও সুহেল গংদের প্রতি স্হানীয়দের অভিযোগ তারা মাছ পেশার সাথে জড়িত নয়।মৎসনীতি বা জলমাহাল আইনে প্রকৃত জেলে বা মাছুয়া ছাড়া কেউ সরকারি খাল-বিল-গাঙ-ডোবা প্রভৃতি লিজ পাবে না,কিন্তু তারা কয়েকটি বিল খালে জেলেদের সাথে ভাগীদার।



