বাহরাইন প্রতিনিধিঃ সম্রাট নজরুল ইসলাম সিদ্দিকীঃ বাহরাইন বসবাসরত প্রবাসী অনেকেই জানেন, অসিত দে নামক একজন অসুস্থ প্রবাসী বাহরাইনের সালমানিয়া নামক হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন, বাহরাইন দূতাবাস এবং বাহারাইন বাংলাদেশ কমিউনিটি বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলা ঐক্য পরিষদ বাহারাইন, উনার পরিবারের সন্ধান চেয়ে সোশাল মিডিয়া ফেইসবুক ও বিভিন্নভাবে খুঁজ নিয়ে পরিবারের সন্ধান চেয়ে পোস্ট করা হলে উনার পরিবারের সন্ধান আমরা পায়, পরিবারের সন্ধান পেলেও উনার পরিবারের কেউ উনাকে আশ্রয় দিতে চায় না।
পরিশেষে বাহরাইন দূতাবাসের সহযোগিতায় বিশেষ করে মান্যবর রাষ্ট্রদূত মহোদয়ের নির্দেশে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান এর বিশেষ উদ্যোগে উনার পরিবার উনাকে সাময়িক আশ্রয় দিতে বাধ্য হয়।
অসিত দে বাহরাইনে দীর্ঘদিন ভিসা ছাড়া অবৈধভাবে বসবাস করে আসছিলেন, তাই উনাকে দেশে পাঠাতে বাহরাইন সরকারের আইন অনুযায়ী বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হয়, বাহরাইন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রচেষ্টায় আইনগত সমস্যাগুলোর সমাধান করা হয়।
এবং মৌলভীবাজার জেলা ঐক্য পরিষদ বাহরাইন ও দূতাবাসের সহযোগিতায়
অসিত দে, কে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হয়।
ছবিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন অসিত দে, বাহারাইন বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা উনাকে এয়ারপোর্টে হুইল চেয়ারে করে নিয়ে যাচ্ছেন, এবং বাংলাদেশে উনাকে এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে উনার গ্রামের বাড়ী রাজনগর উপজেলা ইউএনও প্রিয়াংকা পাল, সরাসরি উনার পরিবারের কাছে নিয়ে যান। যেহেতু উনি দীর্ঘদিন থেকে বাহরাইনে ছিলেন, উনি পরিবারের কারো সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেননি এবং কোন বাড়িঘর ও করেননি, দেশে থাকার মত উনার একটা ঘর নেই, বাহরাইন বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) মাহফুজুর রহমান, রাজনগর উপজেলা ইউএনও প্রিয়াংকা পাল এর সাথে কথা বলে উনার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একটি ঘর উপহার দেওয়া হয়।
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরা সেই অসিত দে এখন প্রায় সুস্থ এবং সবার সহযোগিতায় উনি দেশে ভালো আছেন এবং নতুন একটি ঘর পেয়েছেন।
অসিদ দে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে বাহারাইন বাংলাদেশ দূতাবাস ও মৌলভীবাজার জেলা ঐক্য পরিষদ কে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রবাসীদের হয়ে এত বড় মহৎ একটি কাজ করার জন্য।



