সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানায় গত ২৭ মার্চ পুরাতন এলোমেনিয়া কম্প্রেসার থেকে ৭০ রেম তামার তার একদল সংবদ্ধ চুরচক্র চুরি করার সময় দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য তাদের ধাওয়া করলেও তা উদ্ধার করতে পারেন নি। এবং ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার তামার তারও নিয়ে যায়। যা ছিল ৭৫ ফিট। গত ৯ এপ্রিল এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়। মামলা নং ০৩। এ বিষয়ে গতকাল (রবিবার) ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এস আই আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে ভিন্ন অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি করে চোরাইকৃত ৫০ ফুট তামার তার সহ প্রথম অভিযানে রাজনগর থেকে দুইজনকে মালামাল সহ গ্রেফতার করা হয়৷ পরবর্তী ঐ দিন বিকেলবেলা পৃথক আরেকটি অভিযানে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার কৃত আসামীরা হলেন-
১৷ মোঃ শাহিন (৩০), পিতা- ফুল মিয়া,২। মোঃ শফিক মিয়া (২৯), পিতা- মৃত আলমগীর, ৩।মোঃ সোহেল আহম্মদ (২৬), পিতা- মৃত মুমিন মিয়া, সর্বসাং- নিজগাও ( পশ্চিমখাস), থানা- রাজনগর, জেলা- মৌলভীবাজার।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এস আই আশরাফুল ইসলাম জানান, আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার পর আমি ২৪ ঘন্টার মধ্যে চেষ্টা করেছি আসামি সহ মালামাল উদ্ধার করতে। আমরা এ পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করতে পেরেছি। বাকি মালামাল উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য – ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানায় অতীতে যত চুরি হয়েছে তার প্রতিটি ঘটনায় এই সমস্ত চোরচক্র জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একাধিক মামলায় তারা দীর্ঘদিন জেলে থাকলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও একই কাজে লিপ্ত হয় বলে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এত নিরাপত্তা প্রহরী থাকার পরেও কেন এমন চুরির ঘটনা বার বার ঘটছে? এর পিছনে সারকারখানার কে বা কাহারা জড়িত তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।



