সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (এসএফসিএল) এ টেন্ডার জমাদানে বাধা ও ঠিকাদারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ এনে ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার আব্দুল ওয়েস স্বপন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি বিসিআইসির তালিকাভুক্ত একজন ঠিকাদার। আমার প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স আব্দুল করিম এন্ড সন্স। আজ ১৭ই জানুয়ারি বুধবার শাহজালাল সারকারখানার দরপত্র আহবান ছিল।সে হিসাবে আমি তালিকাভুক্ত ঠিকাদার হওয়ায় আজ সকাল সোয়া ১১টায় সারকারখানা প্রশাসনিক ভবনে দরপত্র নং- ৩৬.০০১.০০০.০৪.২৫-১০৪০৪.২০২৩-১৯৬১ জমা প্রদানের জন্য প্রশাসনিক ভবনে রক্ষিত টেন্ডার বক্সে দরপত্র জমা দেই৷ দরপত্রে উল্লেখিত সিরিয়াল নং ০৪ এর ইউরিয়া ফরমাল ডিহাইডের খালি প্লাস্টিক ড্রাম ১০৬৫ ড্রাম প্রতি দর ধরে দরপত্র জমা দেই।”
তিনি বলেন, “আমি দরপত্র জমা দেওয়ার পরপরই ফেঞ্চুগঞ্জ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, তাতীলীগের নেতারা যার মধ্যে ফাহিম শাহ, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক রেজান আহমেদ শাহ, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল ইসলাম চৌধুরী মিছলু, পারভেজ আহমেদ, তাতীলীগের যুগ্ম আহবায়ক জাবেদুর রহমান ডেনেস, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক নাইমুর রহমান নাইম, তাতীলীগের সদস্য সচিব রাসেল আহমেদ, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহাদুল ইসলাম মাহাদ, দেওয়ান ফাহিম গং সংঘবদ্ধ হয়ে টেন্ডার বক্স ভেঙ্গে আমার শিডিউল নিয়ে আমাকে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে দুই ঘন্টা পরে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার পালবাড়ি পয়েন্টে এনে নামিয়ে দেন। আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই টেন্ডার ছিনতাইয়ের ন্যাক্কারজনক ঘটনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ দেশবাসীর নজরে আনতে মিডিয়ার সহযোগীতা কামনা করছি।”
অবরুদ্ধের বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপনে আরো উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মালেক, গোবিন্দ দাস ও আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।
সূত্র- সিলেট ভিউ



