সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বেশ কয়েকদিন ধরে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বন্ধ এবং শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করার দাবিতে পরিবহন শ্রমিক ঐক্য মিলে মোট ১৩ টি পরিবহন শ্রমিক সংগঠন নিয়ে ঐক্য পরিষদ গঠন করে।
সর্বশেষ গত ২৭ আগস্ট সংগঠনটির এক বিশাল সমাবেশে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফেঞ্চুগঞ্জে ব্যাটারি চালিত যানবাহন এর বিষয়ে সুরাহা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াঙ্কা এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেঞ্চুগঞ্জে ব্যাটারি চালিত রিকশার চলাচল সম্পর্কে বিভিন্ন বিধি নিষেধ দেন।
কিছু সেই বিধিনিষেধ না মেনে উভয় পক্ষের এক এক সংঘাত ঘটে গত ১১ সেপ্টেম্বর। সেদিন ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গাজী আতাউর রহমান বিষয়টি সমাধানের জন্য দুইদিনের সময় নেন। পরবর্তীতে পরিবেশ স্বাভাবিক হয়।
গতকাল বুধবার রাতে ফেঞ্চুগঞ্জের সকল পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের নিয়ে এক বৈঠকে পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি রাসেল আহমেদ টিটু বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জে কোন প্রকার ব্যাটারি চালিত যানবাহন চলবে পারবে না। এতে আমাদের বিদ্যুতের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। পূর্বে (পেডেল) চালিত বিকশা চলতে কোন আপত্তি নেই।
তিনি আরও বলেন – যেহেতু ব্যাটারি চালিত যানবাহন আইনিভাবে অবৈধ সে কারণে কিভাবে তারা হাজার হাজার গাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জে চালায়। তিনি আরও বলেন – আমরা ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে গাড়ি কিনি। সরকারের ট্যক্স দেই। প্রতিদিন ৫ টি সিএনজি দিন রাত পুলিশ ডিউটিতে যায়। আমরা সেবা দেই। তাহলে কেন অবৈধ যানবাহন আমাদের এলাকায় চলছে। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।



