সিলেট জেলার অপরাধ দমন, আসামি গ্রেফতার ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ, সিলেট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া মাদকের প্রসার রোধ ও মাদক পরিবহন, চোরাই মালামাল উদ্ধার, চোরাই ব্যবসার কাজে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিতকরণ এবং গ্রেফতারে জেলা পুলিশ, সিলেট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত গত ১৮/০৪/২৩ ইং দুপুর অনুমান ১৩.০০ ঘটিকা হইতে ২০/০৪/২৩ ইং বিকাল অনুমান ১৫.০০ ঘটিকার মধ্যে যেকোন সময় ফেঞ্চুগঞ্জ থানাধীন ০১ নং ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন এর অন্তর্গত মনুর টোক সাকিনস্থ ফেঞ্চুগঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ এর অফিস কক্ষ হইতে ১১ টি মনিটর, ১ টি সিপিইউ ও ০১ টি স্ক্যানার ভেন্টিলেটর ভেঙে অজ্ঞাতনামা চোর/চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায় মমে অদ্য ২৯/০৪/২৩ ইং তারিখে অধ্যক্ষ-বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মামলা নং-০৭, তাং- ২৯/০৪/২৩ ইং,ধারা- ৪৬১/৩৮০ পেনাল কোড রুজু করতঃ অত্র মামলার তদন্তভার আমার উপর অর্পণ করেন। মামলা রুজুর পরবর্তী সময়ে অদ্য ২৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ঘটনার সহিত জড়িত আসামীরা ফেরীঘাট নামক স্থানে বসে আড্ডা দিতেছে। এমন সংবাদ প্রাপ্তির পর অফিসার ইনচার্জ মহোদয়ের নির্দেশ ক্রমে ফেঞ্চুগঞ্জ থানাধীন ফেরীঘাট নামক স্থানে এলাকায় সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সের এবং স্হানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে মো.ইমন আলী (২২), পিতা- মোঃ হারিস আলী, সাং- -নুরপুর,থানা- ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা- সিলেট, শুভ দেবনাথ (২৮), পিতা- শুভাস দেবনাথ,সাং- মহদী,থানা- ছাতক,জেলা- সুনামগঞ্জ, বর্তমান সাং- নুরপুর,থানা- ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা- সিলেটদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকালে তারা উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত আছে মর্মে স্বীকার করে। এছাড়া ঘটনার সাথে জড়িত অপরাপর আসামীদের নাম- ঠিকানা প্রকাশ করে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে ধৃত আসামী ইমন এর বসতবাড়ি হইতে চোরাইকৃত স্ক্যানার উদ্ধার করি। পরবর্তীতে ধৃত আসামী সহ অন্যান্য চোরাই মালামাল ও অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য ফেঞ্চুগঞ্জ থানা সহ সিলেট বন্দর বাজার করিমউল্লাহ মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করিয়া চোরাই ১০ টি মনিটর, ০১ টি সিপিইউ সহ রায়হান আহম্মদ (২১), পিতা- এলাইছ মিয়া,সাং- ইলাশপুর,থানা- ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা- সিলেট, মামুনুর রশীদ (২৬), পিতা- সুরুক মিয়া, সাং- নুরপুর,থানা- ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা- সিলেট, আলী আহমদ (৩০), পিতা- আঃ খালিক, সাং- নোয়াগাও, থানা- ফেঞ্চুগঞ্জ, জেলা- সিলেট, মোঃ নাইম আহম্মেদ জুবের (২৯), আজির উদ্দিন, সাং- কল্যাণপুর, থানা- শাহপরান, জেলা- এসএমপি,সিলেটদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য যে ধৃত আসামীরা এলাকায় পেশাচার চোর হিসেবে চিহ্নিত। এলাকায় বিভিন্ন ধরনের চুরি, ছিনতাই, মাদক সহ একাধিক অপরাধের সাথে জড়িত আছে বলিয়া এলাকায় জনশ্রুতি আছে। ধৃত আসামীদের আয়ের নির্দিষ্ট কোন পেশা নেই। তাছাড়া বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকলেও এতোদিন লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিলো। ধৃত আসামীরা স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করিবে মর্মে জানায়। আসামীদেরকে আগামীকাল সকালে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইবে। এছাড়াও এই ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কিনা তা খুঁজে বের করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য এস আই আশরাফুল ইসলাম গতকালও ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানার মালামাল চুরির মূল হুতা সহ আরও ৪ জুয়াড়িকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
এছাড়াও এস আই আশরাফুল ইসলাম এর দায়িত্ব পালনে সাধারণ মানুষ অত্যন্ত স্বস্তির মধ্যে আছে বলে জানা গিয়েছে।



