সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পিপিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আজিমা বেগম কে নিয়ে নৈশপ্রহরী ও আয়া নিয়োগে ৪ লক্ষ্য টাকার ঘোষ লেনদেনের অভিযোগ নিয়ে সৃষ্ট হয়েছে নানা আলোচনা সমালোচনা।
এ বিষয়ে গতকাল ৯ ই অক্টোবর বিকেলে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির এক সভায় ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় যা আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয় সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করবে।
উল্লেখ্য মূল আলোচনার প্রেক্ষাপট বিদ্যালয়ের প্রাক্তন নৈশপ্রহরী ফারুক মিয়া’র দুইটি ভিডিও বক্তব্য নিয়ে। যেখানে তিনি একটি বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি তার ছেলে কে নৈশপ্রহরীর চাকরিতে নিযুক্ত করতে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আজিমা বেগমের হাতে মোট দুই লক্ষ টাকা ঘোষ দেন। অন্যদিকে আরেক ভিডিও বক্তব্যে তিনি টাকা দেননি বলে উল্লেখ করেন। তিনিও আরও বলেন – আমাকে জোর পূর্বক একটি মহল টাকা দিয়েছি বলে স্বীকারোক্তি আদায় করে নিয়েছে।
অন্যদিকে তার পূত্র বিষয়গুলো সম্পুর্ন ভিত্তিহীন উল্লেখ করে একটি ভিডিও বার্তা এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বরাবর একটি লিখিত স্বীকারোক্তিনামায় উল্লেখ – তার নৈশপ্রহরীর চাকরি পাওয়ার পেছনে তার পিতার কোন হাত নেই। এমনকি তার পিতার সাথে গত প্রায় ১০ বছর ধরে কোন সম্পর্ক নেই। তিনি একটি সিএনজি চালিয়ে তার জীবন জীবিকা পরিচালনা করছেন।
আরেক ভিডিও বক্তব্যে বিদ্যালয়ের আয়া আসমা বেগম প্রথম ভিডিওতে তিনি সহকারী শিক্ষিকার নিকট দুই লক্ষ্য টাকা ঘোষ দিয়েছেন উল্লেখ্য করলেও তার পরবর্তী একটি ভিডিও বক্তব্যে তিনি টাকা দেননি বলে উল্লেখ করেন।
এ প্রসঙ্গে – ৮ ই অক্টোবর দুপুরে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দ সুলেমান হোসেন জানান, আমি নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়ম প্রসঙ্গে কোন কথা জানিনা। এ বিষয়ে একটি সংবাদ দেখার পর আমি ম্যানেজিং কমিটির কাছে উল্লেখ করি।
উল্লেখ্য – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় হওয়া বিভিন্ন সংবাদ ও ভিডিও কতটা সত্য তা বের হয়ে আসবে আগামীকালের তদন্ত প্রতিবেদনের পর। তবে সচেতন মহল দাবি করেন একটি সঠিক তদন্ত এবং সুন্দর সমাধান যেন বিদ্যালয় কতৃপক্ষ গ্রহণ করেন।



