সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বারহাল গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে হৃদয় নামে এক বিদ্যুৎকর্মী আহত হয়ে বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ থেকে জানা যায়, ছেলেটির হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং মাথায়ও আঘাত রয়েছে। অবস্থা অধিক গুরুতর।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাজনগর উপজেলার চেলারচক গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী তসির আলী বারহাল এলাকার ঠিকাদার মনা মিয়ার বাড়ির সামনে কিছু গাছ ক্রয় করেছিলেন। কিছু গাছ কাটাতে গিয়ে তিনি বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করতে হৃদয় নামের ঐ বিদ্যুৎকর্মী সেখানে নিয়ে যান। বিদ্যুৎকর্মী যখন পল্লী বিদ্যুতের কোন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ ছাড়ার ট্রান্সফরমারে উঠে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে যায়। সেই সময় সে বিদ্যুৎ স্প্রিষ্ট হয়ে আহত হয়।
এ বিষয়ে তরির আলীর সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া না গেলে তার ভাই চেলারচক বাজারের ব্যবসায়ী নজির আলীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, তিনি ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে বলেন- আমি জেনেছি আমার ভাই সেখানে গাছ ক্রয় করেছিলেন। এবং কিছু গাছ কাটাতে বিদ্যুতের সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন করতে হয়। তখন তিনি বিদ্যুতকর্মী হৃদয়কে সেখানে নেন এবং এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, আমরা বিষয়টি দেখেছি এবং আমরা ভেবেছিলাম আমাদের ট্রান্সফার খুলে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা গাছ কাটার বিষয়টি জানতে পারি।
এ বিষয়ে সিলেট পল্লী বিদ্যুত বিভাগ ১ এর এজিএম মাহমুদুল হাসান মুঠোফোনে জানান, আমরা বিষয়টি অবগত নয়। আমাদের না জানিয়ে আমাদের কর্মচারী ব্যথিত এভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন করা সম্পুর্ন বে আইনি। আমরা এলাকা থেকে এ ধরনের অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নিব।
উল্লেখ্য আহত ব্যক্তির বাড়ি ফেঞ্চুগঞ্জের মির্জাপু



