সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে দুই ছেলে ও পুত্রবধূর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হয়েছেন গর্ভধারিণী মা ।
এ ঘটনায় গতকাল ২ নভেম্বর দিবাগত রাতে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ এর হাতে আটক হয়েছে দুই ঘাতক ছেলে।
আটককৃতরা হলেন -ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৩ নং ঘিলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের বাদেদেউলী গ্রামের সিএনজি ড্রাইভার আব্দুস সামাদ ও তার ছোট ভাই সালমান মিয়া।
জানা যায়, উপজেলার ৩ নং ঘিলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের বাদেদেউলী গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ লনি মিয়ার দুই ছেলে সিএনজি ড্রাইভার আব্দুস সামাদ, সালমান মিয়া ও তাদের স্ত্রীরা মিলে জোরপূর্বক জায়গা সম্পত্তি তাদের নামে লিখে নিতে কয়েক মাস যাবত গর্ভধারিণী মায়ের উপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু সেই জনমদুখিনী মা অন্যান্য সন্তানদের সমান ভাবে জায়গা বন্টন করার সিদ্ধান্ত নিলে আব্দুস সামাদ ও সালমান মিয়া এবং তাদের স্ত্রীরা মিলে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে বিগত ১ মেয়ে রাতে রায়না বেগমকে প্রাণে মারার জন্য তারা লাঠি পেটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালিয়ে গুরুতর আহত করে, এতে রায়না বেগম এর চিৎকারে ছুটে আসেন পাড়াপ্রতিবেশি এবং তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
সরেজমিনে জানা যায়,ঘাতক আব্দুস সামাদ এর শালীকে প্রেমের মাধ্যমে বিয়ে করেন সালমান মিয়া, এতে সামাদ ও সালমান মিয়ার স্ত্রী অর্থাৎ দুই বোন এক হয়ে শাশুড়ীকে প্রাণে মারার জন্য বিভিন্ন সময়ে পরিকল্পনা করেন এবং এর আগেও ঘাতক আব্দুস সামাদ ও সালমান মিয়া গর্ভধারিণী মাকে কয়েকবার মারধর করেন, কিন্তু জনমদুখিনী মা প্রশাসনের কাছে আশ্রয় নিতে গেলে তখন আব্দুস সামাদ ও সালমান মিয়া আরও ক্ষিপ্ত হয়ে মাকে বেধড়ক মারধর করেন বলে জানিয়েছেন এলাকার একাধিক ব্যাক্তি। তারা বলেন,এখন হয়তো সামাদ ও সালমান মিয়া প্রশাসনের কাছে কিন্তু যদি তারা আবারও জামিনে বের হয়ে আসে তাহলে হয়তো তারা সেই গর্ভধারিণী মাকে প্রাণে মেরে ফেলবে।
এধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়, সুধীমহল এই কুলাংগার সন্তানদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান জানান, গ্রেফতারকৃতদের রবিবার আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।



