সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে মাইজগাঁও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা দিচ্ছেন চিকিৎসা।
১২ ডিসেম্বর সোমবার বেলা ১২ টায় সরেজমিন হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল একজন মহিলা আরও কিছু মহিলাকে সরকারি ঔষধ বিতরণ করছেন। তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি একজন ভিজিটর এবং হাসপাতালে আর কোন ব্যক্তি নেই। তার নাম জৌতি রাণী দে। তিনি ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা।
তিনি জানান, আমি কিছুদিন পূর্বে এই হাসপাতালে যোগদান করেছি এবং আমি আমার সময় অনুযায়ী আসছি৷ ডাক্তারের ব্যাপারে তিনি বলেন, আদৌও তিনি এই হাসপাতালে কোন ডাক্তার দেখেননি। পরবর্তীতে কথাটি এড়িয়ে গিয়ে জানান, আমাদের হাসপাতালে কোন চিকিৎসক নেই। পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার বিষয়টির কথা বলে জানান, একজন আয়া এবং পাশাপাশি কোন নৈশপ্রহরীও নেই।
হাসপাতালের সকল রুমে গিয়ে দেখা গেল ডাক্তারের চেম্বারে তালা পাশাপাশি একটি পরিদর্শক কক্ষ সেটাতেও তালা ঝুলে আছে। হাসপাতালে ঢুকার পথে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা লক্ষ্য করা যায়।
স্থানীয় কিছু মহিলা চিকিৎসা নিতে এসে ঔষধ পাননা বলে জানান। একজন মহিলা বলেন- তারা নাপা আর প্যারাসিটামল দিয়ে আমাদের বের করে দেয়। কিন্তু মূলত যুবতী মেয়েদের জন্য এবং গর্ভবতী মহিলার জন্য যে ঔষধ প্রয়োজন তার কোনটাই দেখাতে পারলেন না চেম্বারে বসে চিকিৎসা দেওয়া ভিজিটর।
মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে প্রতিদিন অন্তত ৩০/৪০ জন রোগী আসেন বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ কামরুজ্জামান বলেন মুঠোফোনে আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব না৷



