মুহাম্মদ জুয়েল, ফেঞ্চুগঞ্জঃ আগামী ১৬ ই অনুষ্ঠিত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন ২ নং মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ। এই ইউনিয়নের বর্তমান কোন চেয়ারম্যান নেই। গত নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি থেকে ধানের শীষের সুফিয়ানুল করিম চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন। তার বিকল্প হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তার ভাতিজা জুমাদুল করিম চৌধুরী। অন্যদিকে গত প্রায় ১২ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নুরুল ইসলাম বাছিত। যিনি বর্তমানে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি হিসেবেও রয়েছেন। নুরুল ইসলাম বাছিত কে অনেকে ভেবেছিলেন তিনি হয়ত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হবেন। কিন্তু তিনি তার পুরাতন চেয়ারম্যান ফিরে পেতে মরিয়া এবার। নুরুল ইসলাম বাছিত মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের হেভিওয়েট প্রার্থী জুবেদ আহমেদ চৌধুরী শিপু গতবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। কিন্তু বিজয়ী হতে পারেননি।
যে কারণে এবার শিপু তার নৌকার জোয়ার তুলবেন স্বাভাবিক। কিন্তু প্রচলিত একটি কথা রয়েছে মাইজগাঁও ইউনিয়নে একমাত্র যে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন তিনি হয় নুরপুর, করিমপুর অথবা ফকিরপাড়া গ্রামের। এর বাইরে গত প্রায় ২ দশকে কেউ নির্বাচিত হতে পারেননি। সেই পর্যবেক্ষণে নুরুল ইসলাম বাছিত – জুবেদ আহমেদ চৌধুরী শিপু, জুমাদুল করিম চৌধুরী ৩ প্রার্থীর বাড়িই একই এলাকায়। অন্যদিকে দুইবার পরাজয়ের স্বাদ নেওয়া ইমরান আহমেদ চৌধুরীর জন্য এবার শেষ সুযোগ। কারণ তার আশেপাশে কোন প্রার্থী নেই। মোট ৪ টি কেন্দ্র রয়েছে তার এলাকার মধ্যে। বাছিতের ইউটার্ন বলার কারণ তিনি এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে প্রবীণ প্রার্থী। পাশাপাশি তিনি নির্বাচনে তিনি অংশ নিবেন তা অনেকে ধারণাই করেননি।
২ নং মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে জুবেদ আহমেদ চৌধুরী শিপু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নুরুল ইসলাম বাছিত (মোটরসাইকেল) ইমরান আহমেদ চৌধুরী (ঘোড়া) মুহিত আহমেদ শাহ (আনারস) জুমাদুল করিম চৌধুরী (চশমা) এবং আহমেদ বেলায়েত আলম আছাদ (সিএনজি) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সর্বশেষ হিসেবে মাইজগাঁও ইউনিয়নে ৩৯ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৪ হাজার ভোটার রয়েছেন।



