আগামী ৩ ডিসেম্বর ৩৩তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২৬ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস ২০২৪ বিশ্বজুড়ে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধিতার শিকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সুরক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালিত হতে যাচ্ছে।
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় – ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ, বিকাশত নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে প্রতিবন্ধী জনগণ’
এ উপলক্ষে এক বিবৃতিতে প্রতিবন্ধী অধিকার ফোরাম বাংলাদেশের আহবায়ক ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পূণর্বাসন কেন্দ্র সি আর পির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল এক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন – বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ কোন সুপারিশ বা দেশ সংস্কারের অংশ হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করণীয় নিয়ে কোন আলোকপাত করছেন না। প্রতি বছর শুধু আশার বাণী শুনিয়ে নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হয়।
আমরা প্রতিবন্ধী অধিকার ফোরাম বাংলাদেশ সহ প্রতিবন্ধীদের আরও ৬ টি সংগঠন একত্রিত হয়ে সংবিধান সংস্কারের জন্য ৭ দফা দাবি পেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। যা অচিরেই প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে পাঠানো হবে।
৭ দফা দাবির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হচ্ছে সংসদে বিশেষ সুবিধা প্রনয়নের মাধ্যমে সংরক্ষিত একজন প্রতিবন্ধী সংগঠনের নেতাকে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে (সংসদ সদস্য) হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি দেশ সংস্কারের অংশ হিসেবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে যুক্ত করতে হবে।
এর পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কোটা সংস্কারে ২.৫% থেকে ১% করায় আমরা হতাশ হয়েছি। কেননা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অতিব সহজে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে আগ্রহ প্রদান করে না। আমরা এ ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা দাবি জানাচ্ছি।
সর্বশেষ প্রতিবন্ধী অধিকার ফোরাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেশের সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা জানাই।



