place বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে সিলেট জেলা রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটের ৬টি আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী মনিটরিং দায়িত্বে কামাল হাসান জুয়েল জনতার আস্থার প্রতীক ফজলুল হক খান সাহেদ: রাফসান মোহাম্মদ রাহিন সিলেট -৩ আসনে দশ দলীয় জোটের বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ জামায়াতে ইসলামী ভাটেরায় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত এসোসিয়েশন অব ইসলামিক টিচার্স ইউকে’র বার্ষিক সম্মেলন ২০২৫ সম্পন্ন গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মুক্তি পেলেন কাজী সামাদ আজাদ, মামলা নিয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণের অভাব ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫ এর বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন ফ্রান্স যুব সমাজের আত্মপ্রকাশ সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) স্মরণে সম্মেলন জিলক্বদ মাসের ফজিলত ও ইবাদত: হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী রাষ্ট্রের দায়িত্বে কে যাবে সেই ফয়সালা আল্লাহ করবেন : আমিরে জামাত সাইবার হামলায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আগামীকাল কুলাউড়া সফরে আসছেন আমীরে জামাত ডা. শফিকুর রহমান কাল কুলাউড়া সফরে আসছেন জামায়াতের আমীর  ডা. শফিকুর রহমান কুলাউড়ায় ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন কুলাউড়ায় ‘আদর্শ পাঠাগার বইপড়া উৎসব-২০২৫ অনুষ্ঠিত লীলা নাগ স্মৃতি পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

পৃথিবীর নতুন আতংক ‘দানবগর্ত’

আন্তর্জাতিক সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
  • ১০৪৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হঠাৎই বিকট শব্দ। প্রচণ্ড কম্পন। তারপরই ঘটছে অবিশ্বাস্য ঘটনা। পায়ের তলার সমতলে পলকে ১০০ ফুট গর্ত। কোথাও কোথাও তারও বেশি। ঠিক যেন হরর ছবির দৃশ্য! গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ব প্রকৃতিতে ঠিক এমনটাই ঘটছে। পৃথিবীর নতুন এই আতঙ্কের নাম ‘দানবগর্ত’।

বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘সিঙ্কহোল’। ধর্মবিশ্বাসীরা বলছেন ‘দোজখের দরজা’। গত এক মাসে পরপর পাঁচ দেশে দানবাকৃতির গর্ত তৈরির পর নতুন আলোচনায় এসেছে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের উৎপত্তি ও কারণ। ঝড়-বৃষ্টি, ভূমিধসের মতোই বাড়ছে এই দানবগর্ত। রাস্তায়, খেলার মাঠে, খেতে, পুকুর বা সুইমিংপুলে কিংবা উন্মুক্ত প্রান্তরে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় সিঙ্কহোলটি আবিষ্কৃত হয়েছে ৬ জুন। ইয়েমেনের আল মাহরা রাজ্যের মরুভূমি এলাকা বারহুতে। স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছে ‘নরকের কুয়া’। ১০০ ফুট চওড়া এবং ২৫০ ফুট গভীর। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া গর্তটি ইয়েমেনের তৎকালীন রাজধানীর সানা থেকে ৮০০ মাইল দূরে ওমান সীমান্তের কাছে। গর্তটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে গল্প আছে-দৈত্যদের জন্য তৈরি কারাগার এটি। আবার কেউ কেউ বলছেন, না, এটা নরকে যাওয়ার রাস্তার মুখ।

জানা গেছে, এলাকাভেদে এ দানবগর্তের আকার বা গভীরতায় রয়েছে ভিন্নতা। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় দানবগর্তের সন্ধান পাওয়া গেছে পশ্চিম সাইবেরিয়ায়। সেখানে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে এমন গর্ত। ২০২০ সালের আগস্টে এক গবেষকদলের চোখে পড়ে এটি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, দানবগর্তের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সেটি এখন আবার ফিরে এসেছে পৃথিবীতে। এর জন্যে প্রকৃতি নয়, মানুষই দায়ী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু সংকটের সরাসরি প্রভাবেই তৈরি হচ্ছে এসব দানবীয় গর্ত।

জালালাবাদ / আন্তর্জাতিক /৪৫৭

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281