আমি মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল। আমি পেশায় একজন সংবাদ কর্মী। যদিও আমার রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া। কিন্তু আরও এমন ব্যক্তি আমায় সংগঠন -পিতা-আত্মীয় যদি কেউ অন্যায় করেন মনে হয় তবে আমি তার প্রতিবাদ করি। গতকাল প্রচারিত সিলেটের কিছু ভোয়া পত্রিকা – যারা সংবাদ আসলেই লিখতেই জানেনা, আমার কাছে হাস্যকর মনে হল। আমি একজন সংবাদ কর্মী গত ১৩ বছর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় কাজ করে আসছি। আমি যে সংবাদ ড. মঈনুল ইসলাম পারভেজ কে নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে তার কোন ভিত্তি খোঁজে পাইনি। কেননা একটি সংবাদ লিখতে গেলে শুধু অভিযোগ যিনি করেছেন তার বক্তব্যের দ্বারা কাউকে অভিযুক্ত করা যায় না। এর মধ্যে সংবাদে উল্লেখিত অংশে আমি জানলাম ‘পিবি আই” কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সংবাদে পিবি আইয়ের কোন কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে কোন বক্তব্য পাইনি। দ্বিতীয়ত্ব, আমি দেখলাম যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে একজন নারী যিনি বাদী হয়েছেন তিনি যদি আদালতে মামলা দায়ের করেন এবং প্রতারণার স্বীকার হোন তার যথেষ্ট প্রমাণ থাকতে হবে। এখানে যিনি তাকে বিবাহ করেছেন তিনি এবং যেই ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে তাদের মধ্যকার একটা বিষয় আমি খোঁজে পেলাম। আপনারা যারা সংবাদ খোঁজেন ভাল কথা। আমি খুজি খববের ভেতরের খবর। যেখানে আছি সংবাদে উল্লেখ পাইনি মঈনুল ইসলাম পারভেজ এর বক্তব্য কিংবা তার কাজী সমিতি রয়েছে – বিবাহ রেজিস্ট্রার এর উর্ধতন কর্মকর্তা তাদের কোন বক্তব্য না থাকায় সংবাদটি উদ্দেশ্যহীন এবং যে বা যারা যে সকল পত্র পত্রিকায় তা প্রকাশ করেছেন আমার মনে হয়, আপনাদের সব সংবাদ তুলে নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করা উচিৎ। কারণ সাংবাদিক শব্দকে বলা হয় জাতীয় বিবেক। তবে কেন কিন্তু ক-চক্ত্রী ব্যক্তির লেখনি সত্য হবে। তাদের কারণে আজ সমাজের এই অবস্থা। আমি এই ভোয়া এবং ভিত্তিহীন সংবাদের নিন্দা প্রকাশ করছি।



