দক্ষিণ ছাতক লাকেশ্বর বাজার সংলগ্ন মুকুন্দা গাঙ অবৈধভাবে জলমাহাল আইন অমন্য করে সেচ দেবার ফলে কৃষক খেতখামার করতে কৃষক পানি পাচ্ছে না।লাকেশ্বর বড় পলিরগাঁও,পূর্বপাড়া,পশ্চিমপাড়া,ছোটেপলির গাঁও ও মাঝপাড়ার ৯২ জন সাধারণ মানুষ গাঙ সেচ না দেবার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা প্রসাশক বরাবর আবেদন করেন,কিন্তু প্রসাশন বার বার নিষেধ দেবার পরও গাঙ সেচ দেয় লাকেশ্বর মাঝপাড়ার ফকির মস্তফা,সৈয়দুর, পশ্চিমপাড়ার মিলাদ হোসেন(মেম্বার) ও সুহেল মিয়া।
জলমাহা আইন অমান্য করে সেচ দিয়ে মাছ ধরা এমনকি বিষ দিয়ে মাছ নিধন করে।অবৈধ সেচের বিরোদ্ধে এলাকাবাসী সোচ্চার হলে নিরীহ কৃষকের ওপর বাদী হয়ে মামলা করে দীঘলি খালেদ হোসেন।জানা যায়,ফকির মস্তফা ও সুহেল গরিব জেলেদের ব্যবহার বিভিন্ন সংস্হার করে খাল-বিল-গাঙ ইজারা নেয়।নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে গাঙ-বিল সেচ দেয়।লাকেশ্বর বড় পলির গাঁওর কৃষক গিয়াস উদ্দীন, আজির উদ্দীন,মন্টু,ওয়ারিছ ও শিরাব আলী-সহ গ্রামের সকল কৃষক বলেন,গাঙ সেচের ফলে আজ তারা বুরো খেত করতে পারছে না।কৃষকরা বড় বিকাফে পড়েছে।



