সিলেট জেলার অপরাধ দমন, আসামি গ্রেফতার ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ, সিলেট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া ডাকাতি, চুরি, চোরাই উদ্ধার, চোরাচালান রোধ, চোরাচালানের সহিত জড়িত অপরাধ ও চোরাচালানের সহিত জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিতকরণ এবং গ্রেফতারে জেলা পুলিশ, সিলেট গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ থানার এস আই আশরাফুল ইসলাম জানান- গত ১০ জুন ২০২৩ তারিখ রাত ০০.০৫ ঘটিকার এসআই/ আশরাফুল আলম সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাত্রীকালীন রনপাহারা ডিউটি চলাকলাীন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্র থানাধীন ০৫নং উত্তর উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তর্গত পশ্চিম মল্লিকপুর সাকিনের ফেঞ্চুগঞ্জ সেতুর টোল প্লাজার অনুমান ২৫০ গজ উত্তর কতিপয় সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতি করার উদ্দেশ্য একটি সাদা পিকআপ নিয়ে পশ্চিম মল্লিকপুর এলাকায় ঢুকেছে বলে জানতে পারি। উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে একটি সাদা পিকআপ থেকে ৭/৮ জন লোক নেমে দৌড়ে পালিয়ে যেতে থাকে। সাথে সাথে আমি আমার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদেরকে ধাওয়া করিলে পিক আপ গাড়ির চালককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই এবং বাকী সদস্যরা দৌড়ে মল্লিকপুর- কুতুবপুর হাওর এর মধ্য দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান- পরবর্তীতে পিকআপ ড্রাইভার কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তার নাম তার নাম মোবারক মিয়া (২২), পিতা- খোকন মিয়া,সাং-মুক্তিখলা (পুরান), থানা- বিশম্ভরপুর,জেলা- সুনামগঞ্জ এবং তার সাথে থাকা অন্যান্য পলাতক আসামী মোঃ আশরাফুল আলম (২৮), পিতা- খুর্শেদ আলম,সাং- জামালপুর, থানা- বিশম্ভরপুর,জেলা- সুনামগঞ্জ, জাকির হোসেন মিলন (৩৫), পিতা- মৃত আঃ ছাত্তার,সাং- বাখরপুর,থানা- শায়েস্তাগঞ্জ,জেলা- হবিগঞ্জ ও অন্যান্য ৫/৬ জন নাম- ঠিকানা জানে না মর্মে জানায়৷ একপর্যায়ে ধৃত আসামী মোবারক মিয়া দেখানো মতে তার সাদা পিকআপ এর অভ্যন্তের ড্রাইভিং সিটের পিছন হইতে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত লোহার হেমার,গ্রিল কাটার যন্ত্র, রাম দা,টর্চ লাইট,রশি, মোবাইল,বিভিন্ন ধরনের স্লাইড রেঞ্জ,স্র্কু, ডাইস সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তী তে ধৃত আসামীর দেওয়া তথ্যমতে অত্র থানাধীন কটালপুর সহ আশপাশ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া আরো ০২ জন।
আসামীরা হলেন- মোঃ আশরাফুল আলম (২৮), পিতা- খুর্শেদ আলম,সাং- জামালপুর, থানা- বিশম্ভরপুর,জেলা- সুনামগঞ্জ, জাকির হোসেন মিলন (৩৫), পিতা- মৃত আঃ ছাত্তার,সাং- বাখরপুর,থানা- শায়েস্তাগঞ্জ,জেলা- হবিগঞ্জ কে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতি করার জন্য অত্র থানা এলাকায় এসেছিলেন মর্মে স্বীকার করেন। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ও পলাতক অপরাপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।



