ফেঞ্চুগঞ্জে বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি সক্রিয় মহল মাইজগাঁও ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত ৪ নং ওয়ার্ডের দুই বারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ছালেহ আহমদ ডালিম কে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়াচ্ছে একটি কু-চক্রী মহল। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপরোক্ত উত্তর দেন তিনি।
১০ ই মে বুধবার দুপুরে এক সাক্ষাৎকারে শেখ ছালেহ আহমদ ডালিম জানান, আমি ছোটবেলা থেকেই প্রতিবাদ পছন্দ করি। হ্যাঁ তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথমে ফেঞ্চুগঞ্জ বার্তা নামে একটি ফেইসবুক একাউন্ট থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। যখন আমি আমাদের মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে উপ-নির্বাচনে অংশ নেই। ইনশাআল্লাহ আমি সেই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করি। পরবর্তীতে আবারও যখন ২০২৩ সালের মার্চে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয় তখন আমি সেই ওয়ার্ডে পূণরায় আবারও মাইজগাঁও ইউনিয়ন এর সকল ইউপি সদস্যদের থেকে উল্লেখযোগ্য বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছি।
ডালিম তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে বলেন, আমি সাধারণ একজন ব্যবসায়ী। পাশাপাশি আমার মন সব সময় মানুষের কল্যাণের জন্য নিয়জিত রাখতে চাই। সেজন্য আমি ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের ভোটের মাধ্যমে প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হই। আমি দুইবার বিপুল ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছি। আমি সব সময় মাদকের বিরুদ্ধে আছি থাকব। সেজন্য আমার বিরুদ্ধে ঐসকল মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীরা যখনই দেখে আমি সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অগ্রসর হই তখনই আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো শুরু করে। “যদি আমি মাদক বানিজ্য কিংবা মানুষের ক্ষতি করতাম তাহলে কেন জনগণ আমাকে বারবার নির্বাচিত করে” এমনকি আমি তাও জানি কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু আমি তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তত্ত্ব উপাত্ত প্রমান সহ না পাওয়ার কারণে ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তবে আমি সন্দেহ ছাড়াই বলছি যে বা যারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে আমি তাদের চিনি এবং খুব তাড়াতাড়ি তারা আইনের আওতায় আসবে আমি তা বিশ্বাস করি। কারণ আমি এসব হয়রানি এবং মানহানিকর তথ্য প্রচারের কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছি। যা চলমান আছে।
উল্লেখ্য – শেখ সালেহ আহমদ ডালিম এর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমি প্রথমে দীর্ঘ ১৫ বছর ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলাম। তারপর আমি ২ নং মাইজগাঁও ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। সামাজিকভাবে আমি ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৮ সালে সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করি এবং সর্বশেষ বনিক সমিতির নির্বাচনে প্রচার সম্পাদক পদে বিজয়ী হই। পাশাপাশি তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ মদিনাতুল উলুম এতিমখানা ও মাদরাসার সিনিয়র সদস্য হিসেবে রয়েছেন। পশ্চিম বাজার জামে মসজিদ কমিটির সিনিয়র সদস্য, সামাদ প্লাজা মার্কেট মসজিদের সাধারণ সম্পাদক, নুরপুর বাজারি টিলা জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক পদে নিযুক্ত আছেন।তাছাড়াও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা উন্নয়ন পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন।
শেখ ছালেহ আহমদ ডালিম তার বিরুদ্ধে বারবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পরিবার সহ আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ প্রচারের তীব্র নিন্দা জানান।



