সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুর সেনের বাজারে গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ ইং সকালে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল নেতার স্টেশনারি দোকান থেকে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফেঞ্চুগঞ্জ থানা পুলিশ। এর প্রতিবাদে ২৭ ডিসেম্বর অভিযুক্তের পিতা সুলতান মিয়া ফেঞ্চুগঞ্জ রিপোটার্স ক্লাবে এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তাহার পুত্র শাহ আলী ওরফে রাজু প্রতিহিংসা – রাজনৈতিক বিদ্বেষ- সম্পত্তির লোভে এবং ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি জানান।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন- ঐ দোকানের মালিক উপজেলার উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, উদ্ধার হওয়া তরুনী কটালপুর (ডন্ডী) গ্রামের মর্তুজ আলীর দ্বিতীয় কন্যা। তার বয়স ছিল ২৫ বছর। তিনি ধর্ষনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার মাতা। কিন্তু রাজুর দোকান থাকলেও সেখানে সে কাউকে হত্যার আলামত পায়নি পুলিশ বলে জানিয়েছেন তার পিতা।
তিনি বলেন – রুনা হত্যার আলামত পুলিশ আমার বড় ছেলের ঘর থেকে পেয়েছে। এমনকি কিছু দড়িও পেয়েছে। আমি লজ্জায় কিছু বলিনি আমার বড় ছেলে রুনার সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। আমার ছোট ছেলে সম্পুর্ন নির্দোষ। আমি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে সঠিক তদন্ত করবেন।
সুলতান মিয়া জানান আমার ছোট ছেলে রাজু। অন্যদিকে তার সৎ ভাইদের মধ্যে আলী মাহমুদ আব্দুল্লাহ (৩৮) আব্দুল আলীম (৩৫) আলমগীর হোসেন (৩৩) অনেকদিন ধরে জমিজমা নিয়ে আমার সাথে প্রায় ঝগড়া করছে।
উল্লেখ্য – সুলতান মিয়ার সম্পত্তি নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে চলছে সমস্যা। তাদের পরিবারে প্রায়ই সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে ঝগড়া – কোন কোন সময় হামলাও হত।
এ বিষয়ে শাহ আলী ওরফে রাজু’র পিতা সুলতান মিয়া জানান, আমার ছেলে কোন হত্যার সাথে জড়িত নয়। আমার বড় সন্তানরা আমার ছোট সন্তানকে হিংসা করে।
শাহ আলী’র বড় ভাইয়েরা তাদের কিছু সম্পত্তি বাংলাদেশের আইনের পরিপন্থীভাবে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতাকর্মী নিয়ে ২০১৫ ইং সালে একবার হামলা চালায়। পরবর্তীতে ২০১৭ ইং সালের ১৯ জুলাই আবারও বাটোয়ারা বিহীন যৌথ করায় তার সৎ ভাইয়েরা পাকা গৃহনির্মাণ শুরু করিলে তাতে আপত্তি জানান শাহ আলী ওরফে রাজু’র পিতা- সুলতান মিয়া। সে সময় শাহ আলীর দল বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির কিছু নেতাকর্মী বিষয়টি নিয়ে কথা বললে এক পর্যায়ে ব্যপক সংগর্ষ ঘটে। এতে সুমন নামে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হন। তার পরদিন শাহ আলী ওরফে রাজু সহ মোট ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা হয়। প্রায় ৬ মাস কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান তিনি। এই মামলায় তার পিতা ছিলেন ২ নং আসামি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি



