place বাংলাদেশ রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ইন্তেকাল আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের কল্যাণে হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুলাউড়ায় ফরিদা রহমান ট্রাস্ট ও আলহেরা ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনজুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট কমিটির কাউন্সিল ও শপথ গ্রহণ  ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা, স্থগিত যেসব আসন সিলেটে তিন আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, একটিতে এগিয়ে বিএনপি- স্বতন্ত্র প্রার্থী কম নয় সিলেট-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আকমল হোসেনের প্রচার মিছিল ও পথসভা ফেঞ্চুগঞ্জে এম এ মালিকের দিনব্যাপী  গণসংযোগ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি, রিকশায় চড়তে গেলে ফুটবলে দিতে হবে গোল! মালেকের সম্ভাবনা বেশি ডা. শফিকের ঘাটিতে কাপ পিরিচ নিয়ে জোয়ার উঠেছে সাহেদ খানের! স্পেনে অনিয়মিত অধিবাসীদের নিয়মিতকরণের ঘোষণায় দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে স্বস্তি কুলাউড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সাহেদের নির্বাচনী ৩৮ দফা ইশতেহার ঘোষণা মনির আহমদ একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন যুক্তরাজ্য থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন ফেঞ্চুঞ্জের নাঈম জনপ্রিয় শিক্ষক ও সাংবাদিক জহিরুল ইসলামের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ! মশাহিদ আলী বালিকা মাদরাসার যেকোনো সহযোগিতায় ফেঞ্চুগঞ্জ কল্যাণ সমিতি ইউকে সব সময় চেষ্টা করে যাবে – মো. ছালিক মিয়া জ্ঞানের আলো চারিদিকে ছড়িয়ে দিতে হবে- আবু সাঈদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এক যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন।

রোববার (১ মার্চ) ভোরে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ৮৬ বছর বয়সি এই নেতার মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে খামেনির বাসভবন লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। এই হামলায় খামেনির কন্যা, জামাতা এবং নাতিও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ট্রাম্পের দাবি, খামেনিই এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজরদারি এড়াতে পারেননি।

আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে ইরানের হাল ধরেন। খামেনি যেখানে ইসলামি বিপ্লবের আদর্শিক ভিত্তি গড়েছিলেন, খামেনি সেখানে ইরানের সামরিক ও আধ্যাত্মিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে এক অপরাজেয় প্রতিরোধ বলয় তৈরি করেছিলেন।

১৯৮০-র দশকে ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি তার যে গভীর অবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল, তা-ই পরবর্তী কয়েক দশক ইরানের পররাষ্ট্রনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। তার শাসনামলে ‘ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী’ (আইআরজিসি) একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার করে।

খামেনির দীর্ঘ শাসনামল যেমন অর্জনে ভরপুর ছিল তেমনি তা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়েছে। ২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচন এবং ২০২২ সালে নারী অধিকার নিয়ে হওয়া বিক্ষোভসহ বিভিন্ন সময়ে তাকে কঠিন জনরোষের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

বিশেষ করে ২০২৬ সালের শুরুতে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে সৃষ্ট দেশব্যাপী বিক্ষোভ দমনে সরকার কঠোর অবস্থান নিলে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সমালোচকদের মতে, খামেনির অতিরিক্ত জাতীয়তাবাদ ও পশ্চিমা বিরোধিতার চড়া মূল্য দিতে হয়েছে সাধারণ ইরানিদের, যা তরুণ প্রজন্মের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281