place বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুরি হওয়া মুবাইল ফোন মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিলেন সমাজকর্মী শরীফ আহমদ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল কুলাউড়া’র ভাটেরা ইউপি নির্বাচন: মানবিক কার্যক্রম ও জনসেবায় ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে কামাল চৌধুরী গোলাপগঞ্জে  ছিনতাইয়ের অভিযোগ কুলাউড়ায় মহান স্বাধীনতা দিবসে ‘টিম জার্নালিস্ট’-এর শ্রদ্ধাঞ্জলি কুরআন ও মক্কা মদিনার অবমাননা কারীর শাস্তির দাবিতে ভাটেরায় বিক্ষোভ মিছিল গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা দিনারের বোনকে সংরক্ষিত আসনে দেখতে চায় সিলেটবাসী ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ কল্যাণ সমিতি কাতারের সভাপতি এনাম আবারও ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম মুজাহিদ প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিরাজুল ইসলাম শাহীন মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নাজিমুল ইসলাম এর ঈদের শুভেচ্ছা মাওলানা হারুনুর রশীদের পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মারুফ আলম তালুকদার মিজু হাকালুকি হাওরে বোরো আবাদে সেচ সঙ্কট কৃষকের চোখে জল! আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীর ইন্তেকাল আমাদের কাজগুলো যেন মানুষের কল্যাণে হয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুলাউড়ায় ফরিদা রহমান ট্রাস্ট ও আলহেরা ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনজুমানে আল ইসলাহ নিউইয়র্ক স্টেট কমিটির কাউন্সিল ও শপথ গ্রহণ 

হাইকোর্টের আপিল বিভাগে ঝুলন্ত সিলেটের আলোচিত শিশু রাজন হত্যা মামলার রায়

রফিকুল ইসলাম মামুন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ১২৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেটের আলোচিত শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলা প্রায় চার বছর ধরে আপিল বিভাগে শুনানিতে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। ২০১৭ সালে রাজন হত্যা মামলায় চার আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। আলোচিত এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের পর চারটি বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো আসামিদের চূড়ান্ত আপিল শুনানি শুরু হয়নি। আর কবে আপিল শুনানি শুরু হবে, তা নির্দিষ্ট করে কেউই বলতে পারছে না।

সর্বোচ্চ আদালতে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়ায় আসামিদের সাজা কার্যকর করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মামলার দুটি পক্ষই এখন চূড়ান্ত আপিল শুনানির জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।

২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে চুরির সন্দেহে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামের আজিজুর রহমানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে সামিউল আলম রাজনকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

রাজনকে নির্যাতনের দৃশ্যটি ভিডিও ধারণ করে নির্যাতনকারিরা। পরে ২৮ মিনিটের সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ ইন্টারনেটের বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঝড় ওঠে প্রতিবাদের।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর জালালাবাদ থানার উপপরিদর্শক বাদী হয়ে মুহিত আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে গিয়ে হত্যাকারীদের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার অভিযোগে বরখাস্ত হন জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন, এসআই জাকির হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

হত্যাকাণ্ডের দুই দিনের মাথায় মামলার মূল আসামি কামরুল ইসলাম পালিয়ে সৌদি আরবে চলে যান। পরে ভিডিও দেখে প্রবাসীদের সহযোগিতায় তাকে আটক করে সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

রাজন হত্যার দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ওই বছরের ১৬ অগাস্ট ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) সুরঞ্জিত তালুকদার। মাত্র ১৭ কার্যদিবসে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করে ২০১৫ সালের ৮ নভেম্বর সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালত রাজন হত্যার দায়ে মূল আসামি কামরুলসহ ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- ময়না চৌকিদার, তাজউদ্দিন আহমদ বাদল ও জাকির হোসেন পাভেল আহমদ।

এ ছাড়া ১৩ আসামির মধ্যে নূর মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কামরুলের তিন ভাই মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদকে সাত বছরের কারাদণ্ড, এ ছাড়া দুলাল আহমদ ও আয়াজ আলীকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় ফিরোজ মিয়া, আজমত উল্লাহ ও রুহুল আমিন নামের তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

বিচারিক আদালতের রায়ের দুদিন পরে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছে। পরে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন। তারপর ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়।

শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ মার্চ বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য ১১ এপ্রিল দিন ধার্য করেন। ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন।

এ ছাড়া নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি নূর মিয়ার দণ্ড কমিয়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার প্রধান আসামি কামরুলের তিন ভাই মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদের সাত বছরের কারাদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। অপর আসামি দুলাল আহমদ ও আয়াজ আলীর এক বছরের সাজাও বহাল রাখেন আদালত।

হাইকোর্টে রাজন হত্যা মামলার রায় প্রকাশের পর পরই দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আপিল করেছেন। তবে কখন চূড়ান্ত আপিল শুনানি শুরু হবে তা সংশ্লিষ্ট কেউই নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না।

হাইকোর্টে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এস এম আবুল হোসেন। তিনি বলেন, মামলাটির হাইকোর্ট বিভাগে আসামিপক্ষে ছিলাম আমরা। তবে আপিল বিভাগের বিষয়টি আমি বলতে পারছি না।

পলাতক দুই আসামির পক্ষে হাইকোর্টে রাষ্ট্র নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন হাসনা বেগম। তিনি বলেন, মামলাটি এখন আপিল বিভাগে আছে। চূড়ান্ত আপিল শুনানি কবে শুরু হবে, তা বলতে পারছি না। তবে করোনার কারণে সব মামলার শুনানি হতে কিছুটা দেরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, শিশু রাজন হত্যা মামলার আপিল বর্তমানে কোন পর্যায়ে আছে, তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে আপিল বিভাগে মামলার ধারাবাহিকতায় আপিল শুনানি হয়ে আসছে।

নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শিশু রাজন হত্যা মামলার আপিল শুনানি শুরু হবে বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
পুরাতন খবর
© এই ওয়েভসাইটের কোন লেখা বা ছবি বিনা অনুমতিতে অন্য কোন ওয়েভসাইটে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-2281